শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
মুন্সীগঞ্জ এর মোল্লাকান্দির কুখ্যাত খাইরুদ্দিন মোল্লা গ্রেফতার বাংলাদেশে সাড়ে ৭৭ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে জাপান নড়াইল দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মশিয়ার, সম্পাদক আরমান মানিকগঞ্জে সেলফি বাসের ধাক্কায় নিহত ২, সাময়িক বন্ধ চলাচল প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে টোকিওতে থাকছেন না রাষ্ট্রদূত, সমন্বয়ে গেছেন মন্ত্রণালয়ের সচিব লক্ষ্মীপুরে ৪ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার জয়ে শুরু ভারতের নিউজিল্যান্ড সফর উন্নয়নের ভোগান্তিতে সৈয়দপুর ঠাকুরগাঁও-১ আসনে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে গণজোয়ারের দাবি জামায়াত নেতার বাংলাদেশে বেসরকারি খাতে ৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে জাপান: নিক্কেইর প্রতিবেদন

উন্নয়নের ভোগান্তিতে সৈয়দপুর

জাতীয় ডেস্ক: নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভায় সড়ক সংস্কার ও ড্রেনেজ উন্নয়ন কাজ চলছে চরম ধীরগতিতে। যথাযথ তদারকির অভাবে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে মানুষের চলাচলের পথ একদিকে যেমন সংকুচিত হয়েছে, অন্যদিকে প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। সরকারের পাশাপাশি বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। শহরের জনবহুল এলাকায় অপরিকল্পিতভাবে খোঁড়াখুঁড়ি ও কাজ ফেলে রাখার ফলে জনজীবন প্রায় থমকে গেছে।

পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘রিজিলিয়েন্ট আরবান অ্যান্ড টেরিটরিয়াল প্রজেক্ট’ (আরইউডিপি) প্রকল্পের আওতায় এই বড় উন্নয়নযজ্ঞ হাতে নেওয়া হয়। প্রকল্পের কাজ পেয়েছে ‘এমএ-কেই-এসবি-জেভি’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, যা বাস্তবে বাস্তবায়ন করছে রংপুরের ‘মেসার্স শাম্মি বিল্ডার্স’। পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্ধারিত সড়কগুলোতে আরসিসি ঢালাই, কার্পেটিং, আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ফুটপাত ও সড়কবাতি স্থাপন করার কথা রয়েছে। তবে নির্দিষ্ট সময় পার হতে চললেও কাজের অগ্রগতি অত্যন্ত হতাশাজনক এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এটি শেষ হওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীদের অভিযোগ, এক বছরের বেশি সময় ধরে কাজ চললেও এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি হয়নি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইচ্ছামতো কাজ অসম্পূর্ণ রেখে উধাও হয়ে যায়, যার ফলে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং ব্যবসা বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এছাড়া নির্মাণকাজে নিয়মের তোয়াক্কা না করে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন এলাকার বাসিন্দারা। এমনকি ঢালাইয়ের পর নিয়ম অনুযায়ী নিয়মিত পানি ছিটানো বা কিউরিং করার বিষয়টিও চরম অবহেলার শিকার হচ্ছে।

এ বিষয়ে পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী আইয়ুব আলী দাবি করেছেন যে, প্রকল্পের কাজটি নিয়মিত নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে এবং নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যেই তা শেষ করতে ঠিকাদারকে কড়া তাগাদা দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী শামীম সাইদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা জানিয়েছেন, অনিয়মের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ হাতে এসেছে এবং সরেজমিনে তদন্ত করে গাফিলতির সত্যতা মিললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: