শনিবার, ২০ Jun ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর স্বপ্নযাত্রা- মো: হাছান উদ্দিন মিয়া নড়াইলের লোহাগড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য নির্বাচন চৌদ্দগ্রামে মাদকবিরোধী জনসচেতনতা মূলক সভা মোংলায় মানববন্ধনে ইপিজেড শ্রমিকের উন্নত চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ দাবি লক্ষ্মীপুরের ভবানীগঞ্জে অভিযান: ৪টি অবৈধ মাটিবাহী ট্রাক্টর জব্দ চাঁদাবাজি বন্ধে সরকারের প্রতি আহ্বান, ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ডা. শফিকুর রহমানের ১,৮০০ মিটার বারখাল পুনঃখনন সম্পন্ন, টুঙ্গিপাড়ায় কৃষি ও মৎস্য খাতে নতুন সম্ভাবনা ‘শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগই জাতি গঠনের প্রধান ভিত্তি’ চিকেন ভেজিটেবল স্যুপ তৈরির রেসিপি জেনে নিন জেরুজালেম শহর মুসলিমদের কাছে যে কারণে গুরুত্বপূর্ণ

আইনি নোটিশ গ্রহণ করলেন না রাবি উপ-উপাচার্য জাকারিয়া!

নিউজ ডেস্ক :: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক মু. আলী আসগরের বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটির সকল কার্যক্রম স্থগিত রাখতে উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহানকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এ নোটিশ সবাই গ্রহণ করলেও গ্রহণ করেননি রাবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী মো. জাকারিয়া।

গত রোববার (২৪ জানুয়ারি) অধ্যাপক আলী আসগরের পক্ষে রাজশাহী জজ কোর্টের আইনজীবী নূর-এ-কামরুজ্জামান ইরানের মাধ্যমে এ নোটিশ পাঠানো হয়।

ওই দিন রাবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী মো. জাকারিয়াকে উক্ত বিষয়ে ডাকযোগের মাধ্যমে লিগ্যাল নোটিশ প্রেরিত হয়েছিল কিন্তু অন্য দশ জন প্রাপক লিগ্যাল নোটিশ গ্রহণ করলেও রাবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী মো. জাকারিয়া উক্ত লিগ্যাল নোটিশ গ্রহণ করেননি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পোষ্ট অফিস কর্তৃক উক্ত গ্যারান্টিড এক্সপ্রেস পোষ্ট প্রাপক চিঠি গ্রহণ না করায় ফেরত লিখে প্রেরকের নিকট প্রেরণ করেছেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন অধ্যাপক ড. মু আলী আসগর।

আইনজীবীর মাধ্যমে পাঠানো নোটিশে বলা হয়েছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৭৩ এর অ্যাক্ট অনুযায়ী সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অধ্যাপক আলী আসগরকে ক্রপ সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ না দেয়ার জন্য তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করেন ওই বিভাগেরই অধ্যাপক খাইরুল ইসলাম। তার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের কোনও অভিযোগ ছাড়াই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ক্রপ সায়েন্স বিভাগের সভাপতি না করার হীন উদ্দেশ্যে তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, আইন ও বিধি সঙ্গত সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অধ্যাপক আলী আসগরকে চেয়ারম্যান না করায় তিনি (অধ্যাপক ড. মু আলী আসগর) সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের ভার্চুয়াল কোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন। বর্তমানে সেটি এখনও বিচারাধীন রয়েছে।

রিট পিটিশনটি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটির কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বলা হয় নোটিশে, অন্যথায় আদালত অবমাননা হইবে। উক্ত লিগ্যাল নোটিশের বিষয়টি ২৬ জানুয়ারি দেশের বিভিন্ন অনলাইন, প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে।

এ বিষয়টি জানতে উপ-উপাচার্য চৌধুরী মোহাম্মদ জাকারিয়াকে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এআই/এসএ/


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: