রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০১:২০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
ফুটবল বিশ্বকাপে মাঠের ৯০ মিনিট ছাড়িয়ে অর্থনীতির যে মহাযজ্ঞ বাবার মৃত্যুর প্রতিশোধের অঙ্গীকার মোজতবা খামেনির বন্যার কারণে ১৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত নাজিমগঞ্জ বাজারের প্রবীণ মাংস ব্যবসায়ী আব্দুর রশিদ আর নেই পুরনো আইন দিয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়, কার্যকর আইন আনছে সরকার: আবুল খায়ের ভূঁইয়া ফুলবাড়ীতে আমন চাষে তোড়জোড়, জলাবদ্ধতা থেকে চারা গাছ রক্ষায় দোগাছি তৈরিতে ব্যস্ত কৃষক গোপালগঞ্জে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ উপজেলা শিক্ষা অফিসার উজিরপুরের মোঃ শহিদুল ইসলাম লোহাগড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে গাছের চারা বিতরণ ও ফলজ বাগান উদ্ধোধন কুমিল্লার সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরার সঙ্গে কামরুল হুদার সাক্ষাৎকার

এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত

লোহিত সাগরে সাবমেরিন ক্যাবল কেটে যাওয়ার ঘটনায় এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশে ইন্টারনেট সেবায় ব্যাঘাত ঘটেছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা নেটব্লকস জানিয়েছে, ভারত ও পাকিস্তানসহ কিছু দেশে ইন্টারনেট সেবায় অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইতিসালাত এবং ডু নেটওয়ার্কেও একই ধরনের সমস্যা লক্ষ্য করা গেছে।

নেটব্লকস বলছে, জেদ্দার (সৌদি আরব) নিকটবর্তী এলাকায় ক্যাবল সিস্টেমে ত্রুটি ধরা পড়েছে। তবে কিভাবে বা কার কারণে এ ক্ষতি হলো, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

মাইক্রোসফট শনিবার জানিয়েছিল, তাদের ক্লাউড সেবা আজুর ব্যবহারকারীরা ধীরগতির সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। কারণ লোহিত সাগরের নিচে থাকা একাধিক ফাইবার ক্যাবল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সংস্থাটি জানিয়েছে, বিকল্প নেটওয়ার্ক রুটে ট্র্যাফিক সরিয়ে নেওয়ায় সম্পূর্ণ সেবা বন্ধ হয়নি।

মাইক্রোসফট এক বিবৃতিতে বলেছে, “আমরা আশা করছি মধ্যপ্রাচ্যের রুট হয়ে যাওয়া কিছু ট্র্যাফিকে লেটেন্সি বা বিলম্ব বাড়বে। তবে অন্যান্য অঞ্চলের ব্যবহারকারীদের ওপর এর প্রভাব পড়বে না।”

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্লাউড সেবা প্রদানকারী আজুর, অ্যামাজনের এডব্লিউএস-এর পরেই অবস্থান করছে। ফলে এই ব্যাঘাত বৈশ্বিক প্রযুক্তি খাতে নজর কাড়ছে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় ইসরায়েলি অভিযান শুরুর পর থেকেই এর বিরুদ্ধ সরব প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে হুতি বিদ্রোহীরা। লোহিত সাগরে একের পর এক জাহাজকে বানিয়ে আসছে হামলার লক্ষ্যবস্তু। ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তারা শতাধিক বেশি জাহাজে হামলা চালিয়েছে। তাদের অভিযানে অন্তত চারটি জাহাজ ডুবেছে এবং অন্তত আটজন নাবিক নিহত হয়েছেন।

তারা জুলাই মাসে আরও দুটি জাহাজ ডুবিয়েছে, এতে অন্তত চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এই ক্যাবল হামলা এমন সময় হলো, যখন ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের জন্য সম্ভাব্য নতুন যুদ্ধবিরতি নিয়ে অস্থির পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এদিকে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও তেহরানের আলোচনার ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: