সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
কোহলির নতুন বিশ্বরেকর্ড সুর নরম করে ট্রাম্প বললেন, চুক্তিতে তাড়াহুড়ো নয় বরিশালে মাদকাসক্ত ছেলের দেওয়া আগুনে পরিবারের স্বপ্ন পুরে ছাই, প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি উজিরপুরে শিশুদের স্বপ্নচিত্র অঙ্কন ও সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে উৎসাহমূলক উপহার বিতরণে- এমপি পরিবহন গুলোকে নিয়ম মেনে রাস্তায় চললে নিরাপদে ঈদ যাত্রা সার্থক হবে – সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, মুন্সীগঞ্জে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম–এর ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল জ্বালানি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী মুন্সীগঞ্জে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক জেলা পর্যায়ের সেমিনার অনুষ্ঠিত চৌদ্দগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-২ ইতনা গণহত্যার শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবীতে লোহাগড়ায় স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

নীলফামারীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১৭ পরিবারের ৩০ ঘর।

জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী: নীলফামারী জেলা সদরের পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের পূর্ব তেলিপাড়া গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭ পরিবারের প্রায় ৩০টি ঘর ভস্মীভূত হয়েছে। রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুর একটার দিকে হঠাৎ আগুন ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তেই গোটা গ্রামে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। এতে ক্ষতিগ্রস্তরা নিঃস্ব হয়ে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্রামের শরিফুল ইসলামের বাড়ি থেকে বৈদ্যুতিক শটসার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের বাড়িঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ঘরে রাখা ধান, চাল, আসবাবপত্র, নগদ অর্থসহ সবকিছু পুড়ে যায়।

ইউপি চেয়ারম্যান ওয়াহেদুল সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৭টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।”

খবর পেয়ে নীলফামারী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। ফলে পাশের আরও অন্তত ২০টি পরিবার অগ্নিকাণ্ড থেকে রক্ষা পায়।

নীলফামারী ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক (অঃদা:) সাহিদুল ইসলাম বলেন, “আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। সঠিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও নিরূপণ চলছে। তবে ঘটনাস্থলে অন্তত ১৭টি বসতঘর সম্পূর্ণভাবে ভস্মীভূত হয়েছে।”

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত শরিফুল ইসলাম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার চারটি ঘর, ধান-চাল, নগদ টাকা—সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এখন পরিবার নিয়ে কোথায় যাব জানি না।”

ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো একেবারেই নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই পর্যন্ত নেই। অবিলম্বে সরকারি সহায়তা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না হলে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তরা মানবেতর জীবনযাপন করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: