সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন
তীর্থযাত্রার নতুন ঠিকানা, মহাকায় শিবমূর্তি আর দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যে সেজে উঠেছে এক অনন্য ধর্মীয় কমপ্লেক্স। আধ্যাত্মিকতার পাশাপাশি এটি হয়ে উঠছে ভ্রমণপিপাসুদেরও আকর্ষণীয় গন্তব্য।
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার কোমরপুরের শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ ও কালী মন্দির কমপ্লেক্স ইতোমধ্যে দেশব্যাপী তীর্থযাত্রীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। এখানেই স্থাপন করা হয়েছে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদিযোগী শিবমূর্তি, যা একযোগে দেশের সবচেয়ে বড় এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম। ২৮ ফুট উচ্চতা ও তিন টন ওজনের এই বিশাল ভাস্কর্যের ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় অর্ধশত কোটি টাকা।
১৩৮ শতক জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এই কমপ্লেক্সে ইতোমধ্যে ব্যয় হয়েছে ২২ কোটি টাকা। মন্দির কমপ্লেক্সের প্রতিষ্ঠাতা শ্রী হরিদাস বাবু নিজেই এর নকশা প্রণয়ন করেন, আর কারিগর বিধান মহন্তের দক্ষতায় বাস্তব রূপ পায় এই শিবমূর্তি।
শিবমূর্তির পাশাপাশি প্রায় সমাপ্তির পথে আরও একটি মহাকায় প্রতিমা। ৫৩ ফুট উচ্চতার কৃষ্ণমূর্তিটি সম্পন্ন হলে সেটিই হবে বিশ্বের সর্বোচ্চ কৃষ্ণমূর্তি।
শুধু আধ্যাত্মিক পরিবেশ নয়, এই মন্দির কমপ্লেক্সটি তার দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্য ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে টানছে দেশজুড়ে দর্শনার্থী ও তীর্থযাত্রীদের। এটি গাইবান্ধাকে পর্যটন মানচিত্রে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেবে এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।