মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
ক্রীড়াবিদরা দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনছে- ধর্মমন্ত্রী উজিরপুরে সৎসঙ্গ ফাউন্ডেশনের সেমিনার অনুষ্ঠিত শিবালয়ে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠিবাড়ি খেলা অনুষ্ঠিত লঞ্চের দড়ি ছিঁড়ে ৫ জনের মৃত্যু : আসামিদের তিন দিনের রিমান্ড ঈদের দিনে সদরঘাটে দুর্ঘটনায় ঝরল ৫ প্রাণ সৌদির সাথে মিল রেখে নোয়াখালীর ৪ গ্রামে ঈদ উদযাপন নোয়াখালীতে দুর্বৃত্তরা ঘর আগুনে পুড়ে দিয়েছে, ১০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি সুবর্ণচরে মানব কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে হতদরিদ্র ও অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ  ঢাকা আরিচা মহাসড়কের মসুরিয়ায় নামে এক অজ্ঞাত ব্যাক্তি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত চাটখিলে ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

পেলের রেকর্ড ভাঙেননি মেসি, এখনও ৪৪৭ গোল পিছিয়ে!

নিউজ ডেস্ক :: গত মঙ্গলবার (২২ ডিসেম্বর) রাতে রিয়াল ভায়োদলিদের বিপক্ষে স্প্যানিশ লা লিগার ম্যাচে দুর্দান্ত খেলেছেন বার্সেলোনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। দলের ৩-০ গোলের জয়ে তার অবদান ছিল এক গোল ও এক এসিস্ট। এছাড়া সরাসরি অবদান ছিল তৃতীয় গোলটিতেও। তবে ম্যাচের ফল কিংবা তার পারফরম্যান্স ছাপিয়ে অসাধারণ এক রেকর্ডে।

ভায়োদলিদের বিপক্ষে এ গোলটি ছিল বার্সেলোনার হয়ে মেসির করা ৬৪৪তম গোল। যা কি না কোনও এক নির্দিষ্ট ক্লাবের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। এ রেকর্ডে নাম লেখানোর পথে তিনি ভেঙে দেন ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলের প্রায় পাঁচ দশক আগের রেকর্ড। ব্রাজিলের ক্লাব সান্তোসের হয়ে ৬৪৩টি গোল করেছিলেন পেলে।

সেই রেকর্ডটি মেসি নিজের করে নেয়ার পর পেলের কাছ থেকে পেয়েছিলেন উষ্ণ অভিনন্দন। মেসি নিজেও বলেছিলেন, ‘পেলের রেকর্ড ভাঙব, এটা স্বপ্নেও ভাবিনি’। তবে সেই কাজ ঠিকই বাস্তবে করে দেখিয়েছেন মেসি, ভেঙেছেন পেলের রেকর্ড।

কিন্তু সেই ম্যাচের পাঁচদিন পর এখন ভিন্ন দাবি তুলেছে পেলের ক্লাব সান্তোস। তাদের মতে, পেলের রেকর্ড ভাঙতে পারেননি মেসি। কেননা সান্তোসের হয়ে পেলের গোলসংখ্যা ৬৪৩ নয়, বরং ১০৯১টি। যে কারণে পেলের চেয়ে এখনও ৪৪৭ গোল পিছিয়ে রয়েছেন ৬৪৪ গোল করা মেসি। এ বিষয়ে বিস্তারিত এক বিবৃতিও দিয়েছে সান্তোস।

সেই বিবৃতির চুম্বকাংশ নিচে তুলে ধরা হলো:

‘পেলের খাতা থেকে যেই ৪৪৮ গোল এখন মুছে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে, সেই গোলগুলো তখনকার সময়ের শীর্ষ ক্লাবের বিপক্ষেই করা হয়েছিল। মেক্সিকোর ক্লাব আমেরিকা এবং চিলির কলো কলোর বিপক্ষে ৯টি করে গোল আছে পেলের, ইন্টার মিলানের বিপক্ষে আছে ৮টি। যারা ষাটের দশকে অন্যতম সেরা ক্লাব ছিল।’

‘এই বাদ দেয়ার তালিকায় আরও বড় বড় নাম যেমন রিভার প্লেট, বোকা জুনিয়র্স, রেসিং, ইউনিভার্সিদাদ ডি চিলি, রিয়াল মাদ্রিদ, জুভেন্টাস, লাজিও, নাপোলি, বেনফিকা এবং আন্ডারলেখটের মতো ক্লাব রয়েছে। যে ক্লাবে মেসি খেলেন, সেই বার্সেলোনার বিপক্ষেও পেলে চার ম্যাচে ৪টি গোল করেছেন।’

‘কিছু বিশ্লেষক এখন যুক্তিতর্ক করেন যে, পেলের ৪৪৮টি গোল প্রীতি ম্যাচে দুর্বল দলের বিপক্ষে করা হয়েছে। যদি সেটি হয়েও থাকে, তবুও ম্যাচগুলো অফিসিয়াল নিয়ম মেনে, অফিসিয়াল জার্সিতেই খেলা হয়েছিল। আমাদের মাথায় রাখা উচিত, ক্লাবগুলো জাতীয় ফেডারেশনের অনুমতি নিয়েই প্রীতি ম্যাচ খেলে। যেখানে নিয়মকানুন সব ফিফারই থাকে।’

‘যত কিছুই বিবেচনায় আনা হোক না কেন, প্রতিপক্ষ যত দুর্বলই হোক না কেন, পরিসংখ্যান তো ফেলে দেয়া যাবে না। সংখ্যা সবসময় স্থির। এইবারের বিপক্ষে গোলের যেমন মূল্য, ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে গোলেরও পরিসংখ্যানগতভাবে একই মূল্য। রিয়াল মাদ্রিদ কিংবা ট্রান্সভাল; যে দলই হোক না কেন, সব গোলের মূল্য একই।’


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: