বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০৯:০৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম
ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণে লক্ষাধিক আবেদন, লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৬০ হাজার পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের আগে প্রয়োজন সম্যক পর্যালোচনা অস্ত্রোপচারের পর নিজের অনুভূতি জানালেন তানিয়া বৃষ্টি বিকেএসপিতে জুনিয়র টিটি দলের প্রশিক্ষণ শুরু সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানাকে জিজ্ঞাসাবাদের আহ্বান জামায়াতের দক্ষ জনশক্তি গড়তে দেশে ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র খোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিএনপির সঙ্গে মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, কমলো ৫০ শতাংশ লাইট-এসি ট্রাম্পের যুদ্ধক্ষমতা কমানোর চেষ্টা আটকে গেল মার্কিন সিনেটে সায়েদাবাদে মাদক কারবারির গুলিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক গুরুতর আহত

সিলেটে ভাড়া নিয়ে জমি দখলে মামলা-হয়রানির অভিযোগ

সিলেট প্রতিনিধি :: স্কুলের জন্য বার্ষিক এক লাখা টাকা করে ১০ বছরের চুক্তিতে জমি ভাড়া নিয়ে এখন তা দখলের জন্য মিথ্যা অভিযোগে মামলা, হামলা ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে জৈন্তাপুরের নিজপাটের আব্দুল লতিফের ছেলে মখছুছুল আম্বিয়া চৌধুরীর বিরুদ্ধে।

সোমবার সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে আয়োতি এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন নিজপাটের মৃত. সামছুদ্দিন আহমদ খন্দকারের ছেলে খন্দকার শফিউল ইসলাম।

তিনি বলেন, ২০০৯ মৌখিক চুক্তিতে আমাদের মৌরসী ভূমিতে একটি স্কুলের জন্য বার্ষিক ১ লাখ টাকা করে ভাড়ায় ১০ বছর মেয়াদে কিছু ভূমি নেন। শর্ত ছিল যে, নিজে ১০ লাখ টাকা খরচে বিল্ডিং বানাবেন এবং বার্ষিক এক লাখ টাকা হারে কেটে ১০ বছরে তা ১০ লাখ হবে। পরে মেয়াদান্তে বিল্ডিং এবং মালিকানা আমাদের হবে এবং নতুন চুক্তিতে ভাড়া নির্ধারিত হবে। ২০১২ সালে তিনি তৃতীয় পক্ষের সাথে চুক্তি করে দ্বিতীয় তলা বানানের কাজ শুরু করেন।

প্রতিবাদ করলে নিজে ভূমির মালিক বলে দাবি করেন। এ নিয়ে একাধিকবার তার কুট-কৌশলী জরিপ ও প্রভাবের কারণে তার সাথে পেরে উঠিনি। গত জানুয়ারী মাসে প্রিন্ট পর্চা এলে জরিপ আহবান করেছি। নানা টালবাহানার পর ৩ মাসে ৪ জন সার্ভেয়ার মোট ৬ বার জরিপ করে আমার ০.২৫০ শতকের মালিকানা আছে বলে রায় দেন।

সালিশানদের বারবার উপেক্ষা করলে আমি থানায় অভিযোগ দেই। তাকে থানায় হাজিরের নির্দেশ দিলেও তিনি তা মানেন নি। গত ২২ ডিসেম্বর তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অফিস ঘরে একটি তালা ঝুলিয়ে দেই এবং সেখানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করি। এসময় থানার পুলিশ এসে চাবি নিজ হেফাজতে নিয়ে উভয় পক্ষকে যার যার কাগজপত্র নিয়ে হাজিরের নির্দেশ দেন। বিকেল ৩ টার দিকে মখছুছ চৌধুরী চিহ্নিত সস্ত্রাসী রাজনৈতিক সংগঠনের ১০/১২ জন কর্মীসহ ৪০/৫০ জনকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ।

আমার নালিশা ভূমিতে অবস্থান নেয় এবং তালা ভেঙে অফিসে প্রবেশ করে। আমি বাধা দিতে গেলে কামরান চৌধুরী ও বাবু আমাকে তাড়া করে সিরাজউদ্দিন মার্কেট পর্যন্ত নিয়ে যায়। আমাকে মার্কেটের ব্যবসায়ীরা হেফাজত করেন। তারা মখছুছু চৌধুরীর ভাতিজা। আমি তৎক্ষনাৎ থানার এসআই রায়হানকে তা অবগতকরি। তিনি এসে নিজহাতে তালা দিয়ে চাবি মখছুছু চৌধুরীর স্কুলেরই একজন শিক্ষক আব্দুর রহমানের হাতে তুলে দেন। রাতে অফিসার ইনচার্জসহ গণ্যমান্যরা আপোষে মিমাংসার পরামর্শ দেন। প্রধান সালিশকারী বানানো হয় মখছুছু চৌধুরীর বড় ভাইসহ স্থানীয় আরো ২ জনকে। কিন্তু এখনো তারা কোন বৈঠক ডাকেন নি। বরং মখছুছু চৌধুরী আমাকে ও আমার ছোট ভাইসহ কয়েকজনকে আসামী করে মিথ্যা অভিযোগে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী ও লুটপাটের মামলা দায়ের করেছেন।

তিনি কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে মিথ্যা-বানোয়াট খবর ছড়িয়ে আমাকে মানসিক ও সামাজিকভাবে বিপর্যস্ত ও বিপদগ্রস্ত করে তুলছেন। বিষয়টিকে তিনি রাজনৈতিক ইস্যু বানানোর প্রক্রিয়া চালাচচ্ছেন। তিনি বলেন, আমার অধিকার আদায় করতে গিয়ে এখন নিজেই মহাবিপদে। তাদের হুমকিতে বাড়ি ছাড়া। তিনি তার প্রাণের নিরাপত্তা, সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচার প্রাপ্তিতে প্রশাসনের সহযোগীতা চেয়েছেন।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: