মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ০১:৫৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম
চাটখিলে ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনকে অব্যাহতি দেয়ায় আনন্দ মিছিল  চৌদ্দগ্রামে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু ট্রেনে পায়ের আঙুল কাটা পড়েছে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদের ঈদে ১৪ টি মিউজিক ভিডিও মুক্তি পেয়েছে প্রিন্স খানের চাটখিলে পৈত্রিক সম্পত্তি জবরদখলে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তপ্তদেহ শীতল করতো গাছের নিচে বসেই, গাছ না থাকায় এত গরম সরকার হজযাত্রীদের সর্বোত্তম সেবা দিতে বদ্ধপরিকর-ধর্মমন্ত্রী দেশের স্বার্থ বিরোধী কাজের সাথে যারাই জড়িত, তারাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী – আনু মুহাম্মদ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে  প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে হবে- সুবর্ণচর উপজেলা আ.লীগ হাতিয়ার উন্নয়নে সরকারের স্মার্ট বাংলাদেশ কর্মসূচিকে কাজে লাগানো হবে – মোহাম্মদ আলী এমপি

বাজারকে মন্দায় ফেলে সস্তায় শেয়ার বাগিয়ে নেয়ার অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক :: দেশের পুঁজিবাজার অনেকটা মৌসুমী বাজারের মতো আচরণ করছে। বছরে দু-চার মাস ভালো যাচ্ছে তো ফের পড়ছে মন্দায়। এমন পরিস্থিতির জন্য প্রাতিষ্ঠানিক ও বড় বিনিয়োগকারীদের দায়ী করছেন বিশ্লেষকরা। বাজারকে মন্দায় ফেলে সস্তায় শেয়ার বাগিয়ে নেয়ার অভিযোগও তাদের বিরুদ্ধে। তাই গতিশীল পুঁজিবাজার প্রতিষ্ঠায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার পরামর্শ বিশ্লেষকদের।

গত ১৭ জানুয়ারিতে ডিএসইতে লেনদেন হয় ২ হাজার ৩৮৫ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। ১৫ দিন যেতে না যেতেই এখন তা ৭শ’ কোটি টাকার ঘরে। হঠাৎ এমন খরায় চরম বেকায়দায় সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। সূচকের ওঠানামাকে স্বাভাবিক মানলেও, লেনদেনের এমন চিত্রকে খুবই অস্বাভাবিক মনে করছেন তারা।

বিনিয়োগকারীরা জানান, একটা কোম্পানির শেয়ারমূল্য যদি প্রতিদিনই বাড়তে থাকে, সেটা তো কোন স্বাভাবিক গতি নয়। তার সাথে সাথে অন্যগুলোরও বাড়তে হবে বা কমতে হবে।

তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, চাঙ্গা বাজারে মুনাফা তুলে নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা অনেকেই এখন নিষ্ক্রিয়। ফের সস্তায় শেয়ার কেনার অপেক্ষায় তারা। বড় বিনিয়োগকারীরা সক্রিয় হলে বাজার আবারও ঘুরে দাঁড়াবে বলে মত বিশ্লেষকদের।

বিশ্লেষকরা জানান, আরও বাড়ার সুযোগ আছে, অনেক ভালো শেয়ার আছে আবার খারাপ শেয়ারও আছে। বুঝে-শুনে কিনতে পারলে আমি ভবিষ্যতটাকে ভালো দিচ্ছি।

এদিকে, আইপিওতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য রয়েছে বড় কোটা। বুক বিল্ডিংয়ে ৫০ শতাংশ এবং ফিক্সড প্রাইজের আইপিওতে ৪০ শতাংশ শেয়ার পান তারা। আর ওই শেয়ার সেকেন্ডারি মার্কেটে আসার পরই লাফিয়ে বাড়তে থাকে। যা উচ্চমূল্যে বিক্রি করে বিপুল মুনাফা তুলে নেন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা। তাই আইপিওতে প্রাতিষ্ঠানিক কোটা কমানোর দাবি ওঠেছে।

গত প্রায় এক বছরে বীমা কোম্পানির শেয়ারের দর ২শ’ থেকে ৬শ’ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। এছাড়া সম্প্রতি কয়েকটি শেয়ারের দামও বাড়ে কয়েক গুণ। যদিও অনেক ভালো কোম্পানির শেয়ারের দর এখনো তলানিতে। এমন পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক মনে করছেন না বাজার সংশ্লিষ্টরা।

তারা জানান, আজকে হট ট্রেড হয়েছে কাল আবার পড়ে যেতে পারে, এতে তো বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কিন্তু মার্কেটটা ধরে রাখতে হলে ধীরে ধীরে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। হুট করে কোন কার্যক্রম পরিচালনা করলে এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এএইচ/


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: