রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০১:৩৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম
মামলা প্রত্যাহার না করায় সাংবাদিককে কুপিয়ে জখম, আঙুল বিচ্ছিন্ন টঙ্গীবাড়িতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেনকে সংবর্ধনা কালিয়াকৈরে ৮৪ কোটির টাকা ব্যয়ে নির্মিত হাইটেক পার্ক স্টেশন এখন মাদকসেবীদের দখলে সাজেকে ওৎ পেতে থাকা প্রতিপক্ষের গুলিতে ইউপিডিএফ’র সদস্য নিহত কল্যাণপুরে কম্ফোর্ট কামালের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের অভিযোগ ৩৪ কোটি টাকার সেতু নির্মাণ, সংযোগ সড়ক না থাকায় দুর্ভোগে ৩০ গ্রামের মানুষ ফুলবাড়ীতে ধর্ষণের শিকার ১২ বছরের শিশুর পেটে এখন পাঁচ মাসের শিশু নড়াইলে বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে আগুনে পুড়লো ৪ দোকান গজারিয়ায় হোসেন্দী খাল পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন পানিসম্পদ মন্ত্রী বরিশালে ডেলটা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মৃত্যু দাবির চেক হস্তান্তর

বগুড়া শেরপুরে অবৈধভাবে পুকুর খনন করে রাস্তার পাশে মাটি স্তুপ করে বিক্রি

অব্দুর রাজ্জাক, বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়ার শেরপুর সীমাবাড়ী ইউনিয়রে সরকারি আইন অমান্য করে পুকুর খনন করে রাস্তার পার্শ্বে মাটি স্তুপ করে রেখে বিক্র করে রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী করার অভিযোগ উঠেছে ঘাসুরিয়া গ্রামের মৃত ইছাহাক আলীর ছেলে রাশেদ আকন্দের বিরুদ্ধে।

জানাযায়, রাশেদ আকন্দ সরকারি আইন অমান্য করে পুকুর খনন করে রাস্তার পার্শ্বে মাটি স্তুপ করে রেখে বিক্র করে । মাটি পরিবহণকারী ট্রলি কাঁচা ঐ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করছে। ফলে রাস্তাটির প্রায় দুই কিলোমিটার অংশ সাধারণ মানুষের চলাচলের অযোগ্য হয়ে পরেছে। এতে জনদুর্ভোগে কয়েক গ্রামরে হাজারো মানুষ, ভ্যান চালক এবং কৃষকরাও।

এলাকাবাসী ও ভ্যান চালক এনছাফ আলী, আব্দুস সাত্তার, রকি, সাকা, সাইফুর, সাব্বির, কবিরসহ আরো অনেকে জানায়, দীর্ঘ দিন ধরে রাস্তার পাশে মাটির স্তুপ করে বিক্রি করে আসছেন রাশেদ আকন্দ নামের এক মাটি ব্যবসায়ী। মাটি কিনতে বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিদিন ইঞ্জিন চালিত যানবাহন আসছে এই রাস্তা দিয়ে। অতিরিক্ত মাটি বোঝাই করে যানবাহন চলাচলের জন্য রাস্তাটির প্রায় দুই কিলোমিটার অংশের বিভিন্ন স্থানে ভেঙ্গে গেছে এবং বৃষ্টির পানিতে কাঁদা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে রাস্তাটির প্রায় দুই কিলোমিটার অংশ সাধারণ মানুষের চলাচলের অযোগ্য হয়ে পরেছে।

এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে মাটির স্তুপ অন্যত্র সরিয়ে নিতে বলা হলেও মাটি বিক্রেতারা রাশেদ আকন্দ না সরিয়ে তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।

এ প্রসঙ্গে রাশেদ আকন্দের সঙ্গে কথা বলতে প্রতিষ্ঠানে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। এবং মোবাইল নং ০১৮৩৪ ৩১৮৪৩৪ এই নম্বারে যোগাযোগ করলে মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান ও গ্রামবাসীর স্বাক্ষরীর একটি লিখিত অভিযোগ ইউএনও বরাবরে গত ৯ জুন দিলেও কোন সুহরা না হওয়ায় দিন দিন আইনের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে যাচ্ছে এমনটাই মনে করছেন গ্রামবাসী।

এ ব্যাপারে শেরপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) জামশেদ আলাম রানা জানান, অভিযোগ পেয়েছি অতিদ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: