বৃহস্পতিবার, ১৮ Jun ২০২৬, ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
মিল্কভিটা চেয়ারম্যান শাতিল ও তার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অর্থ লোপাটের অভিযোগ সুবর্ণচরে ৬১৫ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠান সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে ‘সাতক্ষীরা কমিউনিটি গ্রুপ’র পোস্টার ও লিফলেট ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জে কোটালীপাড়ায় ১৬৪ পিস নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস প্রবাসীদের জরুরি নির্দেশনা দিলো কাতার, না মানলে শাস্তি শনিবার খুলনা বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় ঐক্যজোট প্রবাসীদের পাসপোর্ট ফি কমানোর প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে সরকার: সংসদে এক ম্যাচে যত রেকর্ড গড়লেন মেসি কালিয়াকৈরে বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক, যানবাহন চলাচলে ধীরগতি গোপালগঞ্জে ওভারটেক করতে গিয়ে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: প্রাণ হারালেন ১, আহত ৩০

বেরোবিতে পরীক্ষা না দিয়েও ছাত্রলীগ নেত্রী পাস

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) গণিত বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেত্রী সুরাইয়া ইয়াসমিন ঐশী পরীক্ষা না দিলেও তাকে পাস করানোর অভিযোগ উঠেছে গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে।
সুরাইয়া ইয়াসমিন ঐশী ছাত্রলীগের বেরোবি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক। ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের বিভিন্ন কার্যক্রমে প্রথম সারিতে থাকতেন তিনি। গত ১৬ জুলাই শহীদ আবু সাইদ হত্যার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন।

এদিকে ছাত্রলীগ নেত্রী ঐশীকে ছাড়াই গত ডিসেম্বর মাসে গণিত বিভাগের মাস্টার্স ১ম সেমিস্টারের ৫১০২ কোর্সের মিডটার্ম পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তবে ঐশীর ফলাফল আসে। এ নিয়ে বিভাগের ভিতরে ও বাইরে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়। ওই কোর্সের পরীক্ষার দিন সুরাইয়া ইয়াসমিন ঐশীকে পরীক্ষা দিতে দেখেননি বলে জানান তার সহপাঠীরা। তবে অন্য সময় বা অন্য কক্ষে পরীক্ষা দিয়েছে কিনা বলতে পারছি না।

এ বিষয়ে কোর্স টিচার অধ্যাপক ড. রুহুল আমীন বলেন, আমি পরীক্ষা জুলাই-আগস্টের আগেই নিয়েছি। মাস্টার্স ১ম সেমিস্টারের সকল বিষয় আগেই শেষ করে ফেলছি আমরা। তখন সে পরীক্ষা দিয়েছিল।

কিন্তু ওই ব্যাচের সিআরের দেওয়া পরীক্ষার নোটিশ থেকে জানা যায়, গণিত বিভাগের মাস্টার্স ১ম সেমিস্টারের ৫১০২ কোর্সের মিডটার্ম পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২ ডিসেম্বর।

এ বিষয়ে গণিত বিভাগের পরীক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক মো. হান্নান মিয়া বলেন, সংশ্লিষ্ট কোর্স টিচাররা এসব দেখাশোনা করেন। তারা আমাদের রেজাল্ট দেন। আমরা সেটা পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরে পাঠাই।

গণিত বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. কমলেশ চন্দ্র রায় বলেন, আমি জুলাই অভ্যুত্থানের পরে ওই শিক্ষার্থীকে বিভাগে কখনো দেখিনি। তার পরীক্ষার বিষয়ে আমার সঙ্গে কেউ যোগাযোগ করেনি।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: