মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন
“সমন্বিত উদ্যোগ, প্রতিরোধ করি দুর্যোগ” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বরিশালের উজিরপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস-২০২৫ পালিত হয়েছে। ১৩ অক্টোবর সোমবার সকাল সাড়ে ১১ টায় উপজেলা পরিষদ চত্তর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদের সভা কক্ষের সামনে এসে শেষ হয়।

উপজেলা পরিষদ চত্তর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়
পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আলী সুজা’র সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ, উজিরপুর। সঞ্চালনায় ছিলেন উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা নুর হোসেন। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী
অফিসার মোঃ আলী সুজা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মোশারফ হোসেন, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা গোলাম মাওলা, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এসএম আলাউদ্দিন, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মোঃ খোকন সরদার, উপজেলা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম সহ অন্যান্য অতিথিরাও গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন।
আরো উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রোকুনুজ্জামান টুলু, উপজেলা শ্বশ্রমিক দলের সভাপতি জিয়া আমিন রাড়ি, সাধারণ সম্পাদক শাহাদুজ্জামান কমরেড, বিএনপি নেতা আব্দুর রব মিয়া, ফায়ার মহোরার অংশ হিসেবে একদল ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আগুন নির্বাপণের বিভিন্ন পদ্ধতি প্রদর্শন করেন। প্রদর্শনীর নেতৃত্ব দেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার আঃ রশিদ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, ফায়ার সার্ভিসের প্রতিনিধিবৃন্দ, সুশীল সমাজের নেতাকর্মী, গ্রাম পুলিশ ও বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা।
সাংবাদিক ইউনিয়নের সাংবাদিকবৃন্দ এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ১৯৮৯ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী এই দিবস পালিত হয়ে আসছে। বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মানুষের জীবন ও জীবিকার ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। বাংলাদেশের মতো ঝুঁকিপূর্ণ দেশে দুর্যোগ মোকাবিলায় পূর্বপ্রস্তুতি অপরিহার্য।
গত দুই দশকে দেশে ১৮৫টিরও বেশি প্রাকৃতিক দুর্যোগ আঘাত হেনেছে, যার ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন উপকূলীয় এলাকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠী। জাতিসংঘ জানিয়েছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগের খরচ প্রাথমিক অনুমানের চেয়ে অনেক বেশি হয়। দিবসের এই প্রচারাভিযান সরকারি বাজেট ও আন্তর্জাতিক সহায়তায় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসের (ডি আর আর) জন্য তহবিল বৃদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরে। এতে সব বিনিয়োগকে ঝুঁকি-সচেতন ও স্থিতিশীল করার আহ্বান জানানো হয়।