বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ৮৫২ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক মুন্সীগঞ্জে গণশুনানি কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয় চৌদ্দগ্রামে স্কুল মাঠে জলাবদ্ধতা, ব্যাহত পাঠদান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা: সমঝোতা ‘শেষ’ ঘোষণা ট্রাম্পের ৩০০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিলো যুবদল প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি গড়ে তুলতে স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াচ্ছে সরকার: সংসদে প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ঢাকা মেডিকেল পরিদর্শনে উচ্ছ্বসিত সাবেক ও বর্তমান ৬ ফ্রান্সের ম্যাচে সব রেফারি আর্জেন্টিনার, ফিফার ‘লজ্জা নেই’ বলছে ফরাসি মিডিয়া শেষ আটের আগে বিশ্বকাপ জয়ের গাণিতিক সম্ভাবনায় এগিয়ে যারা ‘মেসি দেখিয়ে দিলেন চ্যাম্পিয়নদের হৃদস্পন্দন কেমন হয়’

এক বহুমুখী কলমযোদ্ধার প্রতিকৃতি কবি আজহারুল ইসলাম আল আজাদের শুভ জন্মদিন

বাংলার উত্তরাঞ্চলের জনপদ নীলফামারী। যে মাটি যুগে যুগে অনেক গুণী মানুষের জন্ম দিয়েছে, সেই মাটিরই সন্তান কবি ও নাট্যকার আজহারুল ইসলাম আল আজাদ। আজ এই নিভৃতচারী কাব্যচাষীর জন্মদিন। ০২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের সেই উত্তাল সময়ে জন্ম নেওয়া এই লেখক শৈশব থেকেই অক্ষরের সঙ্গে গড়ে তুলেছেন এক গভীর মিতালি।

আজহারুল ইসলাম আল আজাদ মূলত বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। তিনি একাধারে কবি, নাট্যকার এবং ঔপন্যাসিক। তাঁর লেখায় ফুটে ওঠে শেকড়সংলগ্ন মানুষের কথা, যাপিত জীবনের আনন্দ-বেদনা এবং সমাজ পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা।

তাঁর সৃষ্টিকর্মগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায় এক বিশাল ক্যানভাস—

নাট্যজগৎ: মেঘের কোলে রোদ হেসেছে, আলোর পথে, ছোটজাত, অভাগিনী আমিনা—এই নাটকগুলোতে তিনি জীবনের রূঢ় বাস্তবতা ও আশার গল্প বুনেছেন।

কাব্যগ্রন্থ: নীলে খুঁজি কাব্যরস, অজেয় পরাজয়, নীল জীবনের গান, নীল কণ্ঠ, গদ্যময় জীবনের পদ্য—কাব্যগ্রন্থগুলোতে তাঁর দার্শনিক সত্তার প্রকাশ ঘটেছে।

কথাসাহিত্য: তাঁর রচিত উপন্যাস ইচ্ছে, বিষণ্ন প্রহর, কেউ খোঁজ রাখে না, বিরহের যাত্রা, খুনসুটি নাকি প্রেম, জন্মদাতা বৃদ্ধ হতে নেই, প্রেমের অন্তরালে—পাঠকমহলে মানুষের মনের গহীনের কথা বলার জন্য সমাদৃত হয়েছে।

ইতিহাস ও ঐতিহ্য: ফিলিস্তিন দখলমুক্ত হবেই হবে।

ব্যক্তিজীবনে অত্যন্ত বিনয়ী এই মানুষটি কেবল নিজের সৃষ্টি নিয়েই ব্যস্ত থাকেন না, বরং নতুন লেখক তৈরিতেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। সাহিত্যের ছোট কাগজ ‘টইটই’ সাহিত্যপত্রিকার প্রধান সম্পাদক ও টইটই লেখক ফোরামের সভাপতি এবং অনেক গ্রন্থের প্রণেতা হিসেবে তিনি তৃণমূল পর্যায়ে সাহিত্যচর্চাকে ছড়িয়ে দিচ্ছেন।

২০২৪ সালের বইমেলায় কবির সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে একান্ত এক আলাপচারিতায় তিনি জানিয়েছিলেন তাঁর জীবনের মূলমন্ত্র— “লেখালেখির মাঝেই আমি বেঁচে থাকতে চাই, আল্লাহ ভরসা।” এই একটি বাক্যই বলে দেয় স্রষ্টার প্রতি তাঁর অগাধ বিশ্বাস এবং সৃজনশীলতার প্রতি তাঁর আজন্ম তৃষ্ণা।

সাহিত্যের এই কণ্টকাকীর্ণ পথে কবি আজহারুল ইসলাম আল আজাদ আজ এক কাব্যচাষী হয়ে উঠছেন। নীলফামারী থেকে শুরু হওয়া তাঁর এই কলমযাত্রা আজ সারা দেশের সাহিত্যপ্রেমীদের কাছে পৌঁছে গেছে। আজকের এই শুভ লগ্নে আমরা তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: