মঙ্গলবার, ১৬ Jun ২০২৬, ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
সংস্কৃতি আন্দোলন থেকে টেলিভিশন নাট্য নির্মাণে স্বতন্ত্র পথচলা: নির্মাতা সঞ্জীব দাস সুবর্ণচর রব্বানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত রেজিস্ট্রেশন ফি আদায়ের অভিযোগ মুন্সীগঞ্জে এইচএসসি-২০২৬ পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত করতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত যৌতুকের বলি ৩ সন্তানের জননী: স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার পর গোয়ালঘরে লাশ ফেলে পালালো স্বামী নড়াইলে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি গঠন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত চন্দ্রগঞ্জে ইয়াবা, নগদ টাকা ও মোবাইলসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার কালিগঞ্জে ভুয়া চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযান, কারাদণ্ড দিল ভ্রাম্যমাণ আদালত অবৈধ প্লাস্টিক কারখানা নিয়ে অনুসন্ধানে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ সুধারামে মাদক কারবারিকে গণধোলাই- পুলিশে সোপর্দ নোয়াখালী মাদক বিরোধী কমিটির ইউএনও’র সাথে মতবিনিময় ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান

জগন্নাথে দিনভর বিক্ষোভের পর শিক্ষার্থীরাই ‘উদ্বোধন’ করল মন্দির

দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় মন্দির নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা। প্রশাসনের অনুমতি না পেয়ে নিজেরাই মন্দিরের ভিত্তিপূজা সম্পন্ন করে মন্দির উদ্বোধন করেছেন তারা।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চ এলাকায় কেন্দ্রীয় মন্দির স্থাপনের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন সনাতনী শিক্ষার্থীরা। রাতেই দেবদেবীর ছবি ও পূজাসামগ্রী নিয়ে এসে ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দির’ উদ্বোধনের ঘোষণা দেন তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী সাগর কুমার গয়ালি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের কাছে মন্দির স্থাপনের দাবি জানানো হলেও বিভিন্ন অজুহাতে অনুমতি দেওয়া হয়নি।

তিনি আরও বলেন, “আমরা একটি প্রাথমিক জায়গা নির্ধারণ করেছিলাম। কিন্তু সেখানে আমাদের অনুমতি না দিয়ে প্রশাসন শৌচাগার নির্মাণের কাজ শুরু করে। এর প্রতিবাদেই আমরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করি। সারাদিন কোনো সাড়া না পেয়ে সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে কেন্দ্রীয় মন্দির স্থাপন করেছি।”

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস কবে সম্পন্ন হবে সেটার নিশ্চয়তা নেই। এখানে আমাদের অল্প কিছু জায়গা হলেই হয়ে যাবে। কিন্তু প্রশাসন সেটাও দিতে নাকচ করেছে।

জবি শাখা শ্রীচৈতন্য শিক্ষা ও সংস্কৃতি সংঘের সাধারণ সম্পাদক অজয় পাল বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ২ হাজার ৭০০ সনাতনী শিক্ষার্থী থাকলেও এখনও কোনো কেন্দ্রীয় মন্দির নেই।

তিনি আরও বলেন, “আমরা একাধিকবার স্মারকলিপি দিয়েছি। উপাচার্য প্রথমে জায়গার সংকটের কথা বললেও পরে আমরা মুক্তমঞ্চের পাশে জায়গা দেখিয়ে দেওয়ার পর সেখানে টয়লেট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।”

ছাত্র ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রিয়ন্ত স্বর্ণকার বলেন, “আমাদের অবহিত না করেই প্রস্তাবিত জায়গায় টয়লেট স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে। তাই আমরা অবস্থান কর্মসূচিতে নেমেছি।”


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: