রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
মুক্তারপুরে ইটবোঝাই ট্রলার ডুবি, ১১ শ্রমিক জীবিত উদ্ধার গোপালগঞ্জ-২ সদর আসনের সাংসদকে উপজেলা পরিষদ ও ২১ ইউপি চেয়ারম্যানের সংবর্ধনা অনুমতি ছাড়াই ফুলবাড়ীতে ফসলি জমিতে পুকুর খনন, স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ নড়াইলের লোহাগড়া লিটল চিলড্রেন ইংলিশ স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মার্কিন ‘অসম বাণিজ্য চুক্তি’ বাতিলের দাবি, সংসদে আলোচনার আহ্বান ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে ব্র্যাক ব্যাংকের CASA আমানতে ২,১০০ কোটি টাকার প্রবৃদ্ধি বিদেশি ঋণ আর সহায়তা জাতিকে কোমর সোজা করে দাঁড়াতে দেবে না ফের পয়েন্ট হারিয়ে শিরোপার লড়াই কঠিন করে তুলল রিয়াল মাদ্রিদ চট্টগ্রাম শপিং কমপ্লেক্সে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট

ফুলবাড়ীতে রমজানের শুরু থেকেই খিরার আশানুরূপ দাম পাওয়ায় চাষিদের মুখে হাসি

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি :

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে মাহে রমজানের শুরু থেকেই খিরার দাম দ্বিগুণ বেড়ে যাওয়ায় আশানুরূপ দাম পাওয়ায় মুখে হাসি ফুটেছে খিরা চাষিদের। রমজানের আগে প্রতি কেজি খিরা প্রকার ভেদে ১৮ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি হলেও রমজাদেনর প্রথম দিন থেকেই একই খিরার দাম প্রকার ভেদে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি দরে।

খিরা চাষি ও ব্যবসায়ীরা জানান, কমবেশি সারা বছরই খিরার চাষিদা থাকলেও রমজান মাসে ইফতারের অন্যতম মুখরোচক খাদ্য উপকরণ হিসেবে এর চাহিদা বেড়ে যায় কয়েকগুণ বেশি। এ কারণে অন্যান্য সময়ের তুলনায় রমজান মাসে খিরা ও শসার চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দামও বেড়ে যায়।

উপজেলার ৬নং দৌলতপুর ইউনিয়নের গোয়ালপাড়া গ্রামের আদর্শ কৃষক পরীক্ষিত চন্দ্র রায় বলেন, ৫০ শতক জমিতে হাইব্রিড জাতের খিরা চাষ করেছেন। সবমিলিয়ে তার খরচ হয়ে ৬০ হাজার টাকা। তবে প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগ না আসায় খিরার মান ও ফলন দুই-ই ভালো হয়েছে। দামও ভালো থাকায় এ পর্যন্ত প্রায় ৮৫ হাজার টাকার খিরা বিক্রি করেছেন। এখন পর্যন্ত জমিতে যে পরিমাণ খিরা রয়েছে তাতে আরও ৫০ থেকে ৫৫ হাজার টাকা পাওয়া যাবে।

উপজেলার বুজরুজ সমশেরনগর গ্রামের আব্দুর রহিম বলেন, তিনিসহ এলাকার বেশ কয়েকজন চাষি বেশ কয়েকটি জাতের খিরা চাষ করেছেন। খিরার ফলন ভালো হয়েছে। প্রথম দিকে খিরার দাম কম পাওয়া গেলেও এখন আশানুরূপ দাম পাওয়া যাচ্ছে। এ বছর খিরা আবাদ করে প্রত্যেক খিরা চাষি আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাইফ আব্দুল্লাহ মোস্তাফিন বলেন, উপজেলার পৌর এলাকারসহ সাত ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৭০ হেক্টর জমিতে খিরা ও শসা আবাদ করা হয়েছে। আবাদের প্রথম থেকে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদেরকে সার্বিক পরামর্শ ও সহযোগিতা করা হয়েছে। গত রমজানে খিরা ও শসার দাম ভালো পাওয়ায় এ বছর এলাকার চাষিরা গত বছরের তুলনায় বেশি জমিতে খিরা ও শসা চাষ করেছেন। রোগবালাই কিংবা প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগ না আসায় খিরার আকার প্রকার ও ফলন দুই-ই ভালো হয়েছে। এ ছাড়াও বাজারে খিরার দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরাও আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। আগামীতে খিরা ও শসার আবাদ আরও বাড়বে বলে আশা করছেন এই কর্মকর্তা।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: