শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১১:৪১ অপরাহ্ন

শিরোনাম
তুরস্ক সম্মেলনে শক্তিশালী গণমাধ্যম ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর জাতীয় চিড়িয়াখানায় আকস্মিক পরিদর্শনে প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির পুনরুত্থান ও ইতিহাস বিকৃতির বিরুদ্ধে সতর্কতা — কে এম মোবারক  চৌদ্দগ্রামে ব্যবসায়ীকে আটক রেখে চাঁদার দাবিতে দিনভর নির্যাতন গ্রেফতার-২ গজারিয়ায় বিপুল পরিমাণ পরিযায়ী পাখি শিকার: অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাসহ ৬ জনকে জরিমানা পিরিয়ড বা মাসিকের রক্ত জানাতে পারে শরীরের অন্য রোগের তথ্য জুমার দিন যেসব কাজ বর্জনীয় ১০ জনের ফ্রান্সের কাছে ব্রাজিলের হতাশাজনক হার ৩ লাখ টন ডিজেল কেনার সিদ্ধান্ত ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা আরও ১০ দিন স্থগিত করলেন ট্রাম্প

জাতীয় চিড়িয়াখানায় আকস্মিক পরিদর্শনে প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

আজ প্রতিমন্ত্রী সাধারণ দর্শনার্থীর মতো নিজেই টিকিট কেটে চিড়িয়াখানায় প্রবেশ করেন। প্রায় দুই ঘণ্টা অবস্থানকালে প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন প্রাণীর খাঁচা, প্রাণীর চিকিৎসা কেন্দ্র ও ওষুধ সংরক্ষণাগার পরিদর্শন করেন। প্রথমে প্রাণী পুষ্টি শাখায় গিয়ে প্রাণীদের খাবারের মান ও পরিমাণ যাচাই করেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে প্রাণীদের খাদ্য, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক পরিচর্যার বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিল চিড়িয়াখানার পরিবেশ, ব্যবস্থাপনা ও কোনো ধরনের ত্রুটি রয়েছে কি না তা সরেজমিনে দেখা। এ সময় তিনি দর্শনার্থীদের সঙ্গেও কথা বলেন এবং তাদের সমস্যা ও প্রত্যাশার বিষয়ে জানতে চান।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বেদখল হওয়া চিড়িয়াখানার প্রায় সাত একর জমি দ্রুত পুনরুদ্ধারের নির্দেশনা দেন। একইসঙ্গে পাবলিক টয়লেট বৃদ্ধি, দর্শনার্থীদের বসার স্থান সম্প্রসারণ, রাস্তাঘাট মেরামত, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং পশুপাখির সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, বর্তমান বাজেটের মধ্যেই দৃশ্যমান উন্নয়ন কাজ শুরু করতে হবে।

আকস্মিক পরিদর্শন সম্পর্কে সালাউদ্দিন টুকু বলেন, চিড়িয়াখানায় কোনো ধরনের অব্যবস্থাপনা রয়েছে কি না তা দেখতেই তিনি হঠাৎ করে এসেছেন। তিনি বলেন, ‘কাউকে না জানিয়ে এখানে এসেছি, যাতে প্রকৃত অবস্থা বোঝা যায়। পরিচ্ছন্নতা, বসার ব্যবস্থা ও দর্শনার্থীদের সুবিধা বাড়াতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নতুন কিছু প্রাণী আনার পরিকল্পনাও রয়েছে।’

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, প্রাণীদের খাদ্য সরবরাহ সন্তোষজনক হলেও দর্শনার্থীরা আরো উন্নত পরিবেশ প্রত্যাশা করেন। সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চিড়িয়াখানাকে আরো সংগঠিতভাবে পরিচালনা করতে হবে, এটি একটি সম্ভাবনাময় প্রকল্প। সঠিক পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গেলে এটিকে লাভজনক ও দর্শনার্থীবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা সম্ভব।

এ সময় প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. আবুবকর সরকার, চিড়িয়াখানার পরিচালক ড. মোহাম্মাদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার, চিড়িয়াখানার কিউরেটর ডা. মো. আতিকুর রহমানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: