মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম
মালয়েশিয়ায় ৪১ হাজার ৫৯৬ অবৈধ প্রবাসী আটক বোন পরিচয়ে টাকা দাবি তরুণীর, সতর্ক করে যা বললেন অভিনেত্রী অহনা আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও তেলের দাম কমল কমলো স্বর্ণ ও রুপার দাম, ভরি কত? শুধু আইন করে নয়, জনসচেতনতার মাধ্যমেই মাদক নির্মূল সম্ভব: মির্জা ফখরুল দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবার বঙ্গভবনে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন উজিরপুরে মৎস্য অভিযানে ৩০ লাখ টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ মুন্সীগঞ্জ প্রেস ক্লাব পরিদর্শন করেন মুন্সীগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক নড়াইলে চলন্ত নসিমন থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল গরু ব্যবসায়ীর মাষ্টার্স পর্যন্ত উপবৃত্তিসহ মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষার ব্যবস্থা করবে সরকার : এমপি আবুল খায়ের ভূঁইয়া

মালয়েশিয়ায় ৪১ হাজার ৫৯৬ অবৈধ প্রবাসী আটক

মালয়েশিয়ায় চলতি বছরের ১৫ জুলাই পর্যন্ত দেশব্যাপী পরিচালিত ৭ হাজার ১০৫টি অভিযানে ৪১ হাজার ৫৯৬ প্রবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম)। একই সময়ে ৯৬ হাজার ৯৯৪ জনের কাগজপত্র ও পরিচয় যাচাই করা হয়েছে।

স্থানীয় সময় সোমবার হারিয়ান মেট্রোর’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রোববার ক্লাংয়ের কাপার বেস্টারি শিল্পাঞ্চলে সমন্বিত আইন প্রয়োগ অভিযান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান।

তিনি বলেন, মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালানবিরোধী আইন ২০০৭ (এটিপসম) এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন (এএমএলএ)-এর আওতায় আইন প্রয়োগ আরও জোরদার করা হবে, যেন ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ কঠোরভাবে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা যায়।

জাকারিয়া বলেন, আইনে প্রদত্ত সব ধরনের ক্ষমতা ব্যবহার করে অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যারা এখনও আইনের বাইরে থেকে অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে, তাদের জন্য এটি একটি কঠোর বার্তা।

তিনি আরও বলেন, অবৈধ অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধকে দেশের জন্য একটি ‘ক্যানসার’ বা মারাত্মক সমস্যা হিসেবে দেখতে চাই না। তাই কোনো ধরনের আপস ছাড়াই কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এদিকে, ক্লাংয়ের কাপার বেস্টারি শিল্পাঞ্চলের দুটি ইলেকট্রনিক বর্জ্য (ই-বর্জ্য) প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় পরিচালিত সমন্বিত অভিযানে ২০ থেকে ৪৫ বছর বয়সী ৫৮ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে।

জাকারিয়া জানান, স্থানীয় সময় বেলা ১১টায় শুরু হওয়া এ অভিযানে ইমিগ্রেশন বিভাগের পাশাপাশি শ্রম বিভাগ এবং পরিবেশ বিভাগ-এর মোট ৭৭ জন কর্মকর্তা ও সদস্য অংশ নেন।

তিনি বলেন, আটক ব্যক্তিরা বৈধ পরিচয়পত্র বা প্রয়োজনীয় নথি তাৎক্ষণিকভাবে দেখাতে পারেননি। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের কাগজপত্র নিয়োগকর্তার কাছে রাখা হয়েছে। এ কারণে তাদের আপাতত আটক রেখে নিয়োগকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রত্যেকের বৈধ অবস্থান যাচাই করা হবে।

ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক জানান, অভিযানে দেখা গেছে কারখানাগুলোতে ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা (সিসিটিভি) স্থাপন করা হয়েছে। এসব ক্যামেরার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হতো। কর্মকর্তাদের উপস্থিতি টের পেলেই শ্রমিকদের লুকিয়ে পড়া বা পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া ছিল তাদের সাধারণ কৌশল (মোডাস অপারেন্ডি)।

তিনি বলেন, এ ধরনের কৌশল ইমিগ্রেশন বিভাগের অভিযানে প্রায়ই দেখা যায় এবং এ বিষয়ে আরও কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: