বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম
ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণে লক্ষাধিক আবেদন, লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৬০ হাজার পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের আগে প্রয়োজন সম্যক পর্যালোচনা অস্ত্রোপচারের পর নিজের অনুভূতি জানালেন তানিয়া বৃষ্টি বিকেএসপিতে জুনিয়র টিটি দলের প্রশিক্ষণ শুরু সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানাকে জিজ্ঞাসাবাদের আহ্বান জামায়াতের দক্ষ জনশক্তি গড়তে দেশে ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র খোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিএনপির সঙ্গে মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, কমলো ৫০ শতাংশ লাইট-এসি ট্রাম্পের যুদ্ধক্ষমতা কমানোর চেষ্টা আটকে গেল মার্কিন সিনেটে সায়েদাবাদে মাদক কারবারির গুলিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক গুরুতর আহত

ইসরাইলকে রক্ষায় আমিরাতের নয়া কৌশল

নিউজ ডেস্ক :: সংযুক্ত আরব আমিরাত ১৩টি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের নাগরিকদের ভিসা দেয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা এমন সময় জারি করা হলো যখন দেশটির সঙ্গে ইসরাইলের সরাসরি বিমান যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ বিষয়টি প্রকাশ করেছে বিবিসি বাংলা।

দুবাই থেকে ‘ফ্লাই-দুবাই’ এয়ারলাইন্সের প্রথম ফ্লাইটটি বৃহস্পতিবার তেল আবিবের উদ্দেশ্যে উড়ে যায়। সেখানে এটিকে স্বাগত জানিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। দুই দেশের মধ্যে স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হওয়ার পর এটিই প্রথম সরাসরি বাণিজ্যিক ফ্লাইট।

যেদিন এই ফ্লাইট চলাচল শুরু হলো সেদিনই রয়টার্স জানায়, ১৩টি দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে ইউএইর ভিসা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ শুধু ভ্রমণ ভিসার বেলায় নয়, কর্মসংস্থান ভিসার ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা হচ্ছে।

এই ১৩টি দেশের মধ্যে আছে- ইরান, তুরস্ক, সিরিয়া, সোমালিয়া, আলজেরিয়া, কেনিয়া, ইরাক, লেবানন, পাকিস্তান, তিউনিসিয়া, আফগানিস্তান, লিবিয়া এবং ইয়েমেন।

এর মধ্যে কেবলমাত্র কেনিয়া ছাড়া প্রত্যেকটি দেশই মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ। কিছু কিছু দেশের সঙ্গে ইরানের সঙ্গে রয়েছে খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। যেসব দেশের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, সেসব দেশের বহু মানুষ সংযুক্ত আরব আমিরাতে কাজ করে। বিশেষ করে পাকিস্তান, ইরান, সিরিয়া, লেবানন এবং আফগানিস্তান।

কেন সংযুক্ত আরব আমিরাত এই নিষেধাজ্ঞা জারি করলো, সেটা তারা পরিষ্কার করে বলছে না। কাজেই এটা নিয়ে অনেক রকম জল্পনা চলছে। ইসরাইলের সঙ্গে ইউএই’র স্বাভাবিক সম্পর্ক মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করতে পারে বলে আশংকা করছেন অনেকে।

কোন কোন নিরাপত্তা বিশ্লেষক ধারণা করছেন, এর পেছনে হয়তো নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ কাজ করছে। বিশেষ করে সম্প্রতি সৌদি আরবে ফরাসী দূতাবাসে হামলার ঘটনার পর। কিন্তু এই যুক্তি অনেকে মানতে পারছেন না, কারণ সেই হামলায় জড়িত ছিল এক সৌদি নাগরিক।

অথচ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে এমন সব দেশের বিরুদ্ধে, যাদের বেশিরভাগ ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র বলে পরিচিত বা যাদের সঙ্গে ইরানের উল্লেখযোগ্য সম্পর্ক আছে।

শুধু তাই নয়, এই ১৩টি দেশের মধ্যে ১১টি দেশ ইসরাইলের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের সমালোচনা করেছে। কোন কোন দেশ বেশ তীব্র ভাষায়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, তাহলে কী ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার কারণেই ১৩টি দেশের বিরুদ্ধে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) এই নিষেধাজ্ঞা?
এএইচ/এসএ/


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: