শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম
বিদেশি ঋণ আর সহায়তা জাতিকে কোমর সোজা করে দাঁড়াতে দেবে না ফের পয়েন্ট হারিয়ে শিরোপার লড়াই কঠিন করে তুলল রিয়াল মাদ্রিদ চট্টগ্রাম শপিং কমপ্লেক্সে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট মার্চে সড়কে ঝরেছে ৫৩২ প্রাণ: রোড সেফটি ফাউন্ডেশন শোক কাটিয়ে শুটিংয়ে ফিরলেন প্রিয়াঙ্কা সরকার ইসলামাবাদে আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন ইরানি প্রতিনিধি দলের ৭১ জন সদস্য কালিয়াকৈর চন্দ্রা এি মোড়ে তাকওয়া পরিবহন মরণযান ও জ্যাম সৃষ্টির মুল কারণ নড়াইলের কালিয়ায় অবৈধভাবে মজুদ ৪০০ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ, জরিমানা ও আটক ১ বরিশালে স্বামীর মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনের দাবিতে স্ত্রী-সন্তানদের সংবাদ সম্মেলন বিশ্বমঞ্চে ব্রাজিলের দাপট কমার কারণ জানালেন রোমারিও

টানা ষষ্ঠ হারেও সম্ভাবনা থাকছে রাজশাহীর

নিউজ ডেস্ক :: চলমান বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে সপ্তম জয় দিয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করলো গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম। নিজেদের শেষ ম্যাচে মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীকে ৩৬ রানে হারিয়েছে দলটি। এ নিয়ে গ্রুপ পর্বের ৮ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে সবার ধরাছোঁয়ার বাইরে মিঠুনের দল।

অন্যদিকে, প্লে-অফে যাওয়ার দৌড়ে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হতো রাজশাহীকে। তবে চট্টগ্রামের কাছে হারলেও প্লে-অফে যাওয়ার দৌড় থেকে এখনও ছিটকে যায়নি শান্তবাহিনী। যদিও সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে আছে দলটি। কেননা, সন্ধ্যার ম্যাচে বরিশাল যদি ঢাকার কাছে হেরে যায় তাহলেই কেবল প্লে-অফে যেতে পারবে পদ্মাপাড়ের দলটি। অন্যথায় জিতলে বরিশালই চলে যাবে চট্টগ্রাম, খুলনা ও ঢাকার সঙ্গে।

এদিকে, আজ শনিবার মিরপুরে চট্টগ্রামের দেওয়া ১৭৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় রাজশাহী। দলীয় ১০ রানে নাহিদুল ইসলামের বলে ‘ডাউন দ্য উইকেটে’ মারতে এসে স্ট্যাম্পিং হন পুরো টুর্নামেন্টে রাজশাহীর হয়ে দুর্দান্ত খেলা আনিসুল ইসলাম ইমন। এই ম্যাচে রান পাননি আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করা রাজশাহীর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। মাত্র ১১ রান করে নাহিদুলের বলে আউট হন তিনি। দলীয় অধিনায়কের বিদায়ের পর মাত্র ১০ রান যোগ করতেই সাজঘরে ফেরেন রনি তালুকদার (১৬)।

চট্টগ্রামকে তৃতীয় উইকেটও এনে দেন সেই নাহিদুল। ৩৩ রানে তিন উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে রাজশাহী। দ্রুত উইকেট তুলে নিয়ে ক্রিজে থাকা দুই ব্যাটসম্যান- ফজলে মাহমুদ এবং নুরুল হাসানকে চেপে ধরে চট্টগ্রামের বোলাররা। সেই সাথে কমে রাজশাহীর রান তোলার গতিও।

নুরুল-ফজলের ৩৬ রানের জুটি ভাঙেন রাকিবুল। এই বাঁহাতি স্পিনারের আবেদনে আম্পায়ার সাড়া না দিলেও উইকেটকিপার লিটনের পরামর্শে রিভিউ নেন মিঠুন। ফলে ২০ বলে ১৯ রান করেই সাজঘরে ফিরতে হয় ফজলে রাব্বিকে। এরপর তিন ছক্কায় ১৭ বলে ২৬ রান করে দ্রুত সাজঘরে ফিরে যান মেহেদী হাসান। তার পরেই ফেরেন সাইফউদ্দিনও (৯)।

তার বিদায়ের পর রাজশাহীর পরাজয় ছিল কেবল সময়ের ব্যাপার। শেষপর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩৯ রান জড়ো করে শান্তর দল। ৩টি উইকেট শিকার করে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন নাহিদুল ইসলাম।

এর আগে লিটন-সৌম্যের জোড়া ফিফটিতে এবং শামসুর রহমান শুভর ঝড়ে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৫ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে চট্টগ্রাম। লিটন দাস ৪৩ বলে ৫৫ এবং সৌম্য সরকার ৪৮ বলে ৬৩ রানের ইনিংস খেলে আউট হন। আর শামসুর রহমান ১৮ বলে তিন ছয় আর একটি চারে অপরাজিত থাকেন ৩০ রান করে। রাজশাহীর আনিসুল ইসলাম ইমন নেন দুটি উইকেট।
এনএস/


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: