শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৯:০৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম
মুন্সীগঞ্জে বৃদ্ধা হত্যা রহস্য উদঘাটন তাহিরপুরে সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ, তালাবদ্ধ বাদীর বসতঘর আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে নারীর নিরাপত্তা, দক্ষতা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে বাজেট বৃদ্ধি সহ ১০টি দাবি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান ৬৬০ সুন্নি আলেমের ৯০০ কোটি টাকার প্রকল্প পরিদর্শনে নোয়াখালীতে যাচ্ছেন দুই মন্ত্রী ভারতের শিরোপা স্বপ্নে বাধা কেকেআরের তিন অস্ত্র ইসরায়েলে জরুরি অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র রাজধানীর বেশিরভাগ পাম্পে মিলছে না তেল, ভোগান্তিতে চালকরা সমঝোতা করে চলতে না পারাই বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে: আসিফ মাহমুদ দুই আসনের উপনির্বাচন: ১৬ মার্চ থেকে শুরু প্রচারণা

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ চট্টগ্রামকে হারিয়ে শিরোপা খুলনার

নিউজ ডেস্ক :: ফাইনালের মতো বড় ম্যাচে মাত্র ১৫৫ রানের লক্ষ্য দিয়েও জেমকন খুলনা লড়াই করেছে এবং জিতে শিরোপা ঘরে তুলেছে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের। এই ম্যাচে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের টি-টোওয়েন্টি ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসেই খুলনাকে এনে দেয় লড়াই করার পুঁজি। তাতেই হারিয়ে দেয় আসরের অন্যতম ধারাবাহিক দল গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামকে।

বিকেলে টসে জিতে জেমকন খুলনাকে ব্যাটিং করার আমন্ত্রণ জানায় গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। ব্যাট করতে নেমে হতাশ করেন আগের ম্যাচে ৮০ রানের ইনিংস খেলা জহুরুল ইসলাম অমি। নাহিদুল ইসলামের করা ইনিংসের প্রথম ওভারের প্রথম বলেই ক্যাচ তুলে দিয়ে বিদায় নেন রানের খাতা খোলার আগে।

আরেক ওপেনার জাকির হোসেনের ২৫ রান করে বিদায় নেয়ার আগে দুই নম্বরে ব্যাট করতে নামা ইমরুল কায়েস ফেরেন ৮ রান করে।

দলের বিপর্যয়ে মাহমুদউল্লাহ হাল ধরেন আরিফুল হককে নিয়ে। তবে আরিফুল ২১ রান করে ফিরলে মাহমুদউল্লাহ একপ্রান্ত আগলে রেখে বড় করতে থাকেন সংগ্রহ।

ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট: মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ

শেষ পর্যন্ত ৪৮ বলে ৭০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলকে এনে দেন ৭ উইকেটে ১৫৫ রানের সংগ্রহ।

চট্টগ্রামের হয়ে ২ টি করে উইকেট নেন নাহিদুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, ১টি করে নেন মোসাদ্দেক হোসেন এবং মুস্তাফিজুর রহমান।

জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকে ভালোই শুরু করেন দুই ওপেনার লিটন দাস ও সৌম্য সরকার। যদিও ২৬ রানে জুটি ভাঙে সৌম্যর ১২ রানের বিদায়ে।

এরপর অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন ফেরেন ৭ রানে। চাপে পড়া চট্টগ্রামকে টেনে তোলার চেষ্টা সৈকত আলীর। তবে লিটন দাস দিতে পারেননি যোগ্য সঙ্গ। ২৩ বলে ২৩ রানে সাজঘরে ফেরে বিপাকে ফেলেন দলকে।

শামসুর রহমান শুভর ২১ বলে ২৩ রানে বিদায়ের পর মোসাদ্দেক হোসেনও ফেরেন ১৪ বলে ১৯ রান করে।

সৈকত একা আর টেনে নিতে পারেননি দলকে। শেষ পর্যন্ত ৪৫ বলে ৫৩ রানের ইনিংস খেলে থামেন দলীয় ১৪৩ রানের মাথায়। বাকি কটা রান তুলতে পারেননি চট্টলার লোয়ার-অর্ডারের ব্যাটাররা। ৬ উইকেটে ১৫০ রানে থেমে ৫ উইকেটের হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে আসরের ধারাবাহিক দল চট্টগ্রাম।

খুলনার হয়ে ২ উইকেট নেন শহিদুল ইসলাম, ১টি করে উইকেট নেন শুভাগত হোম, আল আমীন ও হাসান মাহমুদ।

 


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: