শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
আবারও ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন সাবিনা ইয়াসমিন বিএনপির আন্দোলনে অবশ্যই সরকার পরিবর্তন হবে: নজরুল আগামীতে পেঁয়াজ আমদানি করতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে শিবালয়ে রাজ্জাক কে নতুন ঘর তুলে দিলেন শতরুপা ফাউন্ডেশন জামালপুরে দরিদ্র শিশুদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ নোয়াখালীতে দাখিল পরীক্ষায় দায়িত্বে অবহেলা ও নকলে সহযোগিতার অপরাধে ৮ শিক্ষককে অব্যাহতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ চেয়ারম্যান এর লাশ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ছুটির দিনে জমজমাট বইমেলা, ক্রেতার চেয়ে বেশি দর্শনার্থী সীমান্ত হত্যা বন্ধে হানিফ বাংলাদেশীর প্রতীকী লাশের মিছিল এখন বকশীগঞ্জে

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ চট্টগ্রামকে হারিয়ে শিরোপা খুলনার

নিউজ ডেস্ক :: ফাইনালের মতো বড় ম্যাচে মাত্র ১৫৫ রানের লক্ষ্য দিয়েও জেমকন খুলনা লড়াই করেছে এবং জিতে শিরোপা ঘরে তুলেছে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের। এই ম্যাচে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের টি-টোওয়েন্টি ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসেই খুলনাকে এনে দেয় লড়াই করার পুঁজি। তাতেই হারিয়ে দেয় আসরের অন্যতম ধারাবাহিক দল গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামকে।

বিকেলে টসে জিতে জেমকন খুলনাকে ব্যাটিং করার আমন্ত্রণ জানায় গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। ব্যাট করতে নেমে হতাশ করেন আগের ম্যাচে ৮০ রানের ইনিংস খেলা জহুরুল ইসলাম অমি। নাহিদুল ইসলামের করা ইনিংসের প্রথম ওভারের প্রথম বলেই ক্যাচ তুলে দিয়ে বিদায় নেন রানের খাতা খোলার আগে।

আরেক ওপেনার জাকির হোসেনের ২৫ রান করে বিদায় নেয়ার আগে দুই নম্বরে ব্যাট করতে নামা ইমরুল কায়েস ফেরেন ৮ রান করে।

দলের বিপর্যয়ে মাহমুদউল্লাহ হাল ধরেন আরিফুল হককে নিয়ে। তবে আরিফুল ২১ রান করে ফিরলে মাহমুদউল্লাহ একপ্রান্ত আগলে রেখে বড় করতে থাকেন সংগ্রহ।

ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট: মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ

শেষ পর্যন্ত ৪৮ বলে ৭০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলকে এনে দেন ৭ উইকেটে ১৫৫ রানের সংগ্রহ।

চট্টগ্রামের হয়ে ২ টি করে উইকেট নেন নাহিদুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, ১টি করে নেন মোসাদ্দেক হোসেন এবং মুস্তাফিজুর রহমান।

জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকে ভালোই শুরু করেন দুই ওপেনার লিটন দাস ও সৌম্য সরকার। যদিও ২৬ রানে জুটি ভাঙে সৌম্যর ১২ রানের বিদায়ে।

এরপর অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন ফেরেন ৭ রানে। চাপে পড়া চট্টগ্রামকে টেনে তোলার চেষ্টা সৈকত আলীর। তবে লিটন দাস দিতে পারেননি যোগ্য সঙ্গ। ২৩ বলে ২৩ রানে সাজঘরে ফেরে বিপাকে ফেলেন দলকে।

শামসুর রহমান শুভর ২১ বলে ২৩ রানে বিদায়ের পর মোসাদ্দেক হোসেনও ফেরেন ১৪ বলে ১৯ রান করে।

সৈকত একা আর টেনে নিতে পারেননি দলকে। শেষ পর্যন্ত ৪৫ বলে ৫৩ রানের ইনিংস খেলে থামেন দলীয় ১৪৩ রানের মাথায়। বাকি কটা রান তুলতে পারেননি চট্টলার লোয়ার-অর্ডারের ব্যাটাররা। ৬ উইকেটে ১৫০ রানে থেমে ৫ উইকেটের হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে আসরের ধারাবাহিক দল চট্টগ্রাম।

খুলনার হয়ে ২ উইকেট নেন শহিদুল ইসলাম, ১টি করে উইকেট নেন শুভাগত হোম, আল আমীন ও হাসান মাহমুদ।

 


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: