মঙ্গলবার, ২৩ Jun ২০২৬, ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
মানিকগঞ্জে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত রাঙামাটির হরিণা সীমান্তে চায়না রসুন ও ইউরিয়া সার জব্দ শান্তিপূর্ণ ও কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: ডা. তাহের আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জে সেনাবাহিনী মোতায়েন উজিরপুরে আমেরিকা প্রবাসী কবির হাসান মৃধার মৃত্যুতে -এমপি শরফুদ্দীন সান্টুর শোক উজিরপুরে ময়না শিশু পার্কে অবৈধ ঝুপড়ি ঘর ৩ দিনের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ দেন উপজেলা প্রশাসন কালিগঞ্জ রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারী ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা জাতীয় প্রেসক্লাবে ফল উৎসব, গানের আসর বড়াইগ্রামে টয়লেট বরাদ্দে কোটি টাকার ডিজিটাল চাঁদাবাজির অভিযোগ চীনের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

চীনের ল্যাব থেকেই করোনার উৎপত্তি, গবেষণায় প্রমাণের দাবি

নিউজ ডেস্ক :: ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর চীনের উহানে প্রথম ছড়িয়ে পড়ে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। বর্তমানে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়া এ ভাইরাসের উৎস কোথায় তা নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক দেখা দেয়। পশু-পাখি নাকি উহানের ল্যাব থেকে মানবদেহে এই ভাইরাস ছড়িয়েছে তা নিয়ে চলে তুমুল আলোচনা।

বিভিন্ন দেশ উহানের ল্যাব থেকে এ ভাইরাস ছড়ানোর দাবি করলেও বরাবরই তা অস্বীকার করে আসছে চীন। তবে সম্প্রতি এক গবেষণায় মিলেছে বিস্ফোরক তথ্য। পশুপাখি থেকে নয়, বরং চীনা বিজ্ঞানীর হাতে দেশটির ল্যাবেই কোভিড-১৯ সৃষ্টি হয়েছে।

গবেষণায় দাবি করা হয়, ল্যাব থেকেই ছড়িয়ে পড়ে কোভিড-১৯। পরে চীনা বিজ্ঞানীরা তা প্রাকৃতিকভাবে বাদুড়ের মাধ্যমে ছড়িয়েছে বলে দাবি করেন।

ডেইলি মেইল‘র বরাতে নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘ব্রিটিশ অধ্যাপক অ্যাঙ্গাস ডালগাইশ এবং নরওয়েজিয়ান বিজ্ঞানী ডা. বিগার সেরেনসেন লিখেছেন, ‘গত বছর করোনা ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই এর ‘‘রেট্রো ইঞ্জিনিয়ারিং’’ ভার্সনের ব্যাপারে তাদের কাছে প্রমাণ রয়েছে। যদিও বিশেষজ্ঞ ও বিভিন্ন মেডিকেল জার্নালে তা উপেক্ষো করা হয়েছে।’ তবে শিগগিরই এই গবেষণা প্রকাশ করা হবে বলে তারা জানিয়েছেন।

গবেষণাটির সারাংশ হলো- ‘প্রাকৃতিকভাবে করোনা ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা খুবই সামান্য।’ মহামারি এ ভাইরাসটি প্রতিদিন বিশ্বে ১২ হাজার মানুষের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে।

ডালগাইশ লন্ডনের অণুজীব বিজ্ঞানের একজন অধ্যাপক। এইচআইভির জন্য একটি ভ্যাকসিন তৈরির যুগান্তকারী কাজের জন্য পরিচিত তিনি। সেরেনসেন একজন ‘ভাইরোলোজিস্ট’ এবং ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থা ‘ইমিউনার’র চেয়ারম্যান। এই প্রতিষ্ঠানটি বায়োভ্যাক -১৯ নামে একটি করোনভাইরাস ভ্যাকসিন তৈরির কাজ করছে। ডালগাইশ এই সংস্থায় আর্থিক অংশীদারহয়েছেন।

তারা বলেন, ‘কোভিডের ভ্যাকসিন তৈরির ক্ষেত্রে গবেষণায় তারা পেয়েছেন ভাইরাসটি প্রাকৃতিকভাবে পরিবেশে ছড়ায়নি।’ ভাইরাসটির গঠন ও প্রাকৃতিক পরিবেশে ছড়িয়ে পড়া নিয়ে তারা পদার্থবিজ্ঞানের ব্যাখা ও যুক্তি দাঁড় করিয়েছেন।

করোনা ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই এর উৎস নিয়ে অভিযোগের তীর ছিল চীনের দিকে। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানী ও গবেষকরা চীনের উহানের ল্যাবকে এর জন্য দায়ী করলেও চীন সবসময় তা অস্বীকার করে এসেছে।

করোনার উৎস খুঁজতে চীনে প্রতিনিধি দল পাঠায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তবে এ দলকে তথ্য প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অসহযোগিতা করে চীন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সবসময় এ ব্যাপারে চীনের প্রতি অভিযোগ করে আসছে। সম্প্রতি করোনার উৎস নিয়ে আবারও সরব হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র।

মহামারিতে রূপ নেওয়া এ ভাইরাসটি পশু-পাখি থেকে, নাকি গবেষণাগার থেকে মানবদেহে ছড়িয়েছে তা জানতে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট জো প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। গত বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউজের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। এ নিয়ে রাজনীতি হলে তদন্ত প্রক্রিয়া বাধগ্রস্ত হবে বলেও দাবি করেছে চীন।

এসি


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: