শুক্রবার, ১৯ Jun ২০২৬, ০১:৩০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
বড়াইগ্রামে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের চেষ্টা, ধাওয়ায় ছত্রভঙ্গ ফুলবাড়ীতে সাড়ে তিন হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে সার ও রোপা আমন ধানের বীজ বিতরণ কালিয়াকৈরে কারখানার পানি পান করে শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ চৌদ্দগ্রামে ট্রাকের পেছনে বাসের ধাক্কা, চালক নিহত নড়াইলে তিনদিন ব্যাপী ফল মেলা উদ্ধোধন লক্ষ্মীপুরে যুবদলের পুর্নাঙ্গ কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মূলজানে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২ বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন শামা ওবায়েদ মিল্কভিটা চেয়ারম্যান শাতিল ও তার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অর্থ লোপাটের অভিযোগ

রাজস্বভুক্ত করার দাবি মাউশিতে আজও সেসিপ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবস্থান

চাকরি রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (সেসিপ) কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এতে অংশ নিয়েছেন প্রায় সাতশো কর্মকর্তা-কর্মচারী।

সোমবার (২৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর চত্বরে জড়ো হয়ে অবস্থান নেন তারা। বিকেল ৫টা পর্যন্ত তারা সেখানে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করবেন বলে জানিয়েছেন। এসময় তাদের হাতে দাবি-দাওয়া সংবলিত ব্যানার-ফেস্টুন দেখা গেছে।

সেসিপ কর্মকর্তারা বলেন, ১ হাজার ১৮৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে রাজস্বভুক্ত করার দাবি জানিয়ে আসছেন তারা। এ দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন সেসিপ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

jagonews24

সেসিপ কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষাসচিবসহ অন্যরা আমাদের দাবি-দাওয়া যৌক্তিক বলে আসছেন। উনারা যদি দায়িত্ব নিয়ে চেষ্টা করেন অবশ্যই আমাদের চাকরি রাজস্বখাতে নেওয়া সম্ভব। দাবি পূরণে আমরা সুনির্দিষ্ট আশ্বাস চাই।সেসিপ কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ পরিষদ সভাপতি আব্দুল হাকিম বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তদারকি থেকে শুরু করে শিক্ষক প্রশিক্ষণের মতো গুরুত্বপূর্ণ সব কাজ সেসিপ কর্মকর্তারা করেন। অথচ এ জনবল রাজস্ব খাতে না নিয়ে প্রকল্পভিত্তিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। প্রকল্পের মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হবে।

jagonews24

তিনি বলেন, সেসিপের জনবল রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত না হলে আগামী বছরের ১ জানুয়ারিতে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবই বিতরণ কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হবে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন চাকরি করে বহু প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করার পরও শেষ বয়সে চাকরি নিয়ে হতাশায় দিন পার করছি আমরা।সেসিপ কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শামীমা ফেরদৌসি বলেন, ১৫-২০ বছর মাঠপর্যায়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে আমাদের। অথচ এখন অভিজ্ঞ এ জনবলকে বাদ দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে। আমাদের চাকরি স্থায়ী করতে হবে, রাজস্ব খাতে নিতে হবে। এ দাবি পূরণ না করলে আমরা ঘরে ফিরবো না।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: