মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম
মালয়েশিয়ায় ৪১ হাজার ৫৯৬ অবৈধ প্রবাসী আটক বোন পরিচয়ে টাকা দাবি তরুণীর, সতর্ক করে যা বললেন অভিনেত্রী অহনা আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও তেলের দাম কমল কমলো স্বর্ণ ও রুপার দাম, ভরি কত? শুধু আইন করে নয়, জনসচেতনতার মাধ্যমেই মাদক নির্মূল সম্ভব: মির্জা ফখরুল দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবার বঙ্গভবনে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন উজিরপুরে মৎস্য অভিযানে ৩০ লাখ টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ মুন্সীগঞ্জ প্রেস ক্লাব পরিদর্শন করেন মুন্সীগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক নড়াইলে চলন্ত নসিমন থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল গরু ব্যবসায়ীর মাষ্টার্স পর্যন্ত উপবৃত্তিসহ মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষার ব্যবস্থা করবে সরকার : এমপি আবুল খায়ের ভূঁইয়া

চিকুনগুনিয়া ভাইরাস নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্বেগ

মশাবাহিত চিকুনগুনিয়া ভাইরাসের দ্রুত ছড়িয়ে পড়া রোধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) একটি জরুরি সতর্কতা জারি করেছে।

সংস্থাটি বলছে, দুই দশক আগে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া মহামারির মতো পরিস্থিতি আবার ফিরে আসতে পারে।

ডব্লিউএইচও-এর মেডিকেল অফিসার ডায়ানা রোজাস আলভারেজ জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী প্রায় ৫.৬ বিলিয়ন মানুষ ১১৯টি দেশের এমন অঞ্চলে বসবাস করেন যেখানে ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাবের ঝুঁকি রয়েছে।

আমরা ইতিহাসকে পুনরাবৃত্ত হতে দেখছি উল্লেখ করে তিনি জানান, ২০০৪-২০০৫ সালের মহামারিতে বিশ্বের বিভিন্ন ছোট দ্বীপে প্রায় ৫ লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়েছিলেন, যা পরে অন্যান্য মহাদেশে ছড়িয়ে পড়ে।

চলতি বছরের শুরু থেকেই ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব বেড়েছে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের লা রিইউনিয়ন, মায়োতি এবং মরিশাস দ্বীপে। শুধুমাত্র লা রিইউনিয়নে এক-তৃতীয়াংশ জনসংখ্যা এরই মধ্যে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন আলভারেজ।

এছাড়া ভাইরাসটি বর্তমানে মাদাগাস্কার, সোমালিয়া এবং কেনিয়াসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ছে। ভারতেও সংক্রমণের হার বেড়েছে।

বিশেষ উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে ইউরোপে ভাইরাসটির ঢুকে পড়া। ফ্রান্সে ১ মে থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৮০০টি সংক্রমণ চিহ্নিত হয়েছে এবং দক্ষিণ ফ্রান্সে ১২টি স্থানীয় সংক্রমণের ঘটনা পাওয়া গেছে, যার মানে আক্রান্ত ব্যক্তিরা বিদেশ ভ্রমণ না করেও স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত হয়েছেন। ইতালিতেও গত সপ্তাহে একটি স্থানীয় সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে।

চিকুনগুনিয়া ভাইরাসের নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই। এটি মূলত এডিস প্রজাতির মশার মাধ্যমে ছড়ায় — বিশেষ করে ‘টাইগার মশা’, যেটি ডেঙ্গু ও জিকা ভাইরাসও বহন করে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ভাইরাসটি খুব দ্রুত ছড়ায় এবং বড় পরিসরে সংক্রমণ ঘটাতে পারে। ফলে এটি এখন একটি গুরুতর স্বাস্থ্য সংকট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সূত্র: রয়টার্স


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: