বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম
শাপলা চত্বরের মামলায় আত্মসমর্পণের ঘোষণা লতিফ সিদ্দিকীর মেট্রোরেলের নিরাপত্তা সুপারিশ বাস্তবায়নে ১০ সদস্যের কমিটি দেশে ফেরা নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন সাকিব আল হাসান কেন জাপানে এত ঘন ঘন শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়? এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন নির্ভুল মানচিত্রই উন্নয়ন পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা কালিগঞ্জে গরুর ক্ষুরা ও পিপিআর রোগ প্রতিরোধে বিনামূল্যে টিকাদান নড়াইলে স্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটার অভিযোগ, স্ত্রী আটক সর্বনাশা মাদকের থাবায় বিপন্ন সমাজ: গোপালগঞ্জে সম্মিলিত প্রতিরোধের ডাক চৌদ্দগ্রামে এলজিইডির ৩০ সড়কে বেহাল দশা, চরম জনদুর্ভোগ

কিডনি ভালো আছে কি না জানতে উপসর্গগুলো দেখে নিন

কিডনি বা বৃক্ক হলো শরীরের গুরুত্বপূর্ণ রেচন অঙ্গ যা রক্ত ​​থেকে বর্জ্য ও অতিরিক্ত তরল অপসারণ করে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, এবং হরমোন নিঃসরণের মাধ্যমে লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতেও সাহায্য করে। এটি মেরুদণ্ডের দুই পাশে কোমরের কাছে অবস্থিত। এটি দেহের খনিজ পদার্থের ভারসাম্য বজায় রাখে।

কিডনির রোগ হলো এমন একটি অবস্থা যার কারণে কিডনি ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। এর প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং হার্টের সমস্যা। এই রোগের লক্ষণগুলোর মধ্যে ক্লান্তি, দুর্বলতা, প্রস্রাবের পরিমাণে পরিবর্তন, ফোলাভাব এবং কখনও কখনও পিঠ বা পাশে ব্যথা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। রোগ নির্ণয়ের জন্য ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষা, প্রস্রাব পরীক্ষা এবং ইমেজিং পরীক্ষার প্রয়োজন হয়।

অনেকের কিডনির রোগ থাকলেও তেমন কোনো উপসর্গ দেখা দেয় না। কিংবা থাকে সাদামাটা কিছু লক্ষণ, বেশির ভাগ সময়ই যেসবকে খুব একটা গুরুত্ব দেওয়া হয় না। এসব ক্ষেত্রে নীরবে ক্ষতি হতে থাকে কিডনির। পরিস্থিতি যখন খুব জটিল আকার ধারণ করে, তখন দেখা দেয় মারাত্মক কোনো লক্ষণ। তাই কিডনি রোগের উপসর্গগুলো জেনে রাখা খুব জরুরি।

কিডনি ভালো আছে কি না জানতে উপসর্গগুলো দেখে নিন

কেবল প্রস্রাব ঠিকঠাক হলেই বলা যাবে না যে আপনার কিডনি ভালো আছে। প্রস্রাবের সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু উপসর্গ ছাড়াও অন্যান্য কিছু উপসর্গ দেখা দিতে পারে কিডনি রোগে।

০১. স্বাভাবিকভাবে প্রতিবার যতটা প্রস্রাব হয়, তার চেয়ে কম বা বেশি পরিমাণ প্রস্রাব হচ্ছে বলে মনে হলে এর কারণ খুঁজে বের করা প্রয়োজন। প্রাপ্তবয়স্ক একজন ব্যক্তির জন্য ২৪ ঘণ্টায় ৪-৮ বার প্রস্রাব হওয়া স্বাভাবিক। এর চেয়ে কম কিংবা বেশি হলেও বিষয়টিকে গুরুত্ব দিন।

অনেক সময় তরল খাবার কম বা বেশি পরিমাণে গ্রহণ করার কারণে এ রকম হতে পারে কিংবা প্রস্রাবের পরিমাণ কমবেশি হতে পারে। চা, কফি, চকলেট বেশি খেলে বেশি প্রস্রাব হতে পারে। জীবনধারার এসব বিষয় ঠিকঠাক থাকলেও যদি অস্বাভাবিকতা লক্ষ করেন, চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

০২. প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া বা প্রস্রাবে অতিরিক্ত ফেনা হওয়া কিডনি রোগের লক্ষণ হতে পারে। ডিম ফেটলে যেমন ফেনা হয়, প্রস্রাবের সঙ্গে দেহের প্রয়োজনীয় আমিষ বেরিয়ে গেলে অনেকটা সে রকম ফেনা দেখা দেয় প্রস্রাবে।

এই দুটি লক্ষণকে অবহেলা করতে নেই। জীবাণুর সংক্রমণের ক্ষেত্রেও কখনো কখনো প্রস্রাবে রক্ত যেতে পারে। কারণ খুঁজে বের করা আবশ্যক।

০৩. চোখের চারপাশে, পায়ে কিংবা হাতে পানি আসাও হতে পারে কিডনি রোগের লক্ষণ। কিডনির রোগী বিশ্রাম নিলেও এই পানি খুব একটা কমে না। হাত বা পা উঁচু করে রাখার পর পানি কমে গেলেও তাঁদের ক্ষেত্রে আবার দ্রুতই পানি জমা হয়। ফুসফুসে পানি জমা হয়ে শ্বাসকষ্টও দেখা দেয় মারাত্মক ক্ষেত্রে।

০৪. বমিভাব, বমি এবং খাবারে অরুচির মতো লক্ষণও দেখা দেয় কিডনির রোগে। কোনো কারণ ছাড়া বেশ কিছুদিন এ রকম উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

০৫. কোনো কারণ ছাড়াই অতিরিক্ত ক্লান্তি বা দুর্বলতা অনুভব করা কিডনি রোগের লক্ষণ হতে পারে। এই রোগীরা কাজে মনোযোগ দিতে অসুবিধায় পড়তে পারেন। আবার ক্লান্তি সত্ত্বেও ঘুমাতে সমস্যা হতে পারে তাঁদের।

০৬. পেশির অস্বাভাবিক ব্যথাও কিডনি রোগের লক্ষণ। কারণ ছাড়াই ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে থাকা কিংবা চুলকানোর মতো নিতান্ত সাধারণ লক্ষণও দেখা দিতে পারে কিডনি রোগে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: