শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:১৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম
১৫০ বছর পর লাইব্রেরিতে ফিরল ধার নেওয়া বই, জরিমানা ১৯ লাখ টাকা গণপরিবহনে আজ থেকে জিপিএস বাধ্যতামূলক মেসেঞ্জারে আপত্তিকর কথোপকথনের স্ক্রিনশট ভাইরাল, ছাত্রশক্তির নেতাকে অব্যাহতি কুলাউড়ায় রেলওয়ের পরিত্যক্ত ভবন ও হাজার একর জমি অবৈধ দখলে চৌদ্দগ্রামে বেতনভাতা বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ লোহাগড়ায় মতবিনিময় সভা ও পৌর শাখা কমিটি গঠন দেশসেরা স্প্রিন্টার জাকির হোসেনকে জামায়াতের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জ্ঞাপন ভারতে বসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতে পারবেন না শেখ হাসিনা শ্রাবণে উপবাস ভাঙুন পুষ্টিকর শুকনো ফলের লাড্ডুতে, রইল সহজ রেসিপি সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোটে যুক্ত হলো বাংলাদেশ

পড়ে আছে খোলা বই, প্রথম শ্রেণির ছাত্রকে নিয়ে গেল চিতাবাঘ

দিন-মজুর বাবা-মা গেছেন কাজে। প্রথম শ্রেণির ছাত্র সিদ্ধার্থ (৬) বই নিয়ে পড়তে বসেছে বাড়ির উঠানে। এই সময় একটি চিতাবাঘ এসে তাকে টেনেহিঁচড়ে বনের দিকে নিয়ে যায়। পড়ে থাকে তার খোলা বই।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘এই সময়ের’ শনিবারের (২৭ সেপ্টেম্বর) প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পুনের জুন্নারের কুমশেত গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, শিশুটির নাম সিদ্ধার্থ প্রবীণ কেড়কর। গ্রামের ঠাকর বস্তিতে সিদ্ধার্থদের বাড়ি। তাদের বস্তিতে মাত্র ১০-১৫টি বাড়ি রয়েছে।

প্রতিদিনের মতো সেদিনও জীবিকার তাগিদে ছেলে সিদ্ধার্থকে রেখে কাজে চলে যান বাবা-মা। শিশুটি কিছু একটা ভেবে বই নিয়ে বাড়ির উঠানে পড়তে বসে। এসময় চিতাবাঘ তার ওপর হামলা করে এবং কামড়ে টেনেহিঁচড়ে বনের দিকে নিয়ে যায়।

পরে স্বজনরা শিশুটিকে না পেয়ে মা-বাবাকে খবর দেন। প্রতিবেশীদের নিয়ে ব্যাপক খোঁজাখুঁজি করে বাড়ি থেকে মাত্র ১০০ মিটার দূরে শিশুটির ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ পান তারা।

ধারণা করা হচ্ছে, বাড়ির বাইরে পড়াশোনা করার সময় চিতাবাঘ তার ওপর হামলা করে এবং তাকে সেখান থেকে তুলে নিয়ে যায়।

পুলিশ আরও জানায়, চলতি বছরে এই নিয়ে পুনে জেলায় চিতাবাঘের হামলায় দ্বিতীয় মৃত্যু ঘটল। গত এপ্রিল মাসে শিরুরের ইনামগাঁওয়ে ৮৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা তার বাড়ির বাইরে ঘুমাচ্ছিলেন। তাকেও তুলে নিয়ে গিয়েছিল চিতাবাঘ। এ ছাড়া গত বছর পুনে জেলায় চিতাবাঘের হামলায় ৯ জনের মৃত্যু এবং আরও ৯ জন আহত হয়েছিলেন।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: