শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২১ অপরাহ্ন

শিরোনাম
১৫০ বছর পর লাইব্রেরিতে ফিরল ধার নেওয়া বই, জরিমানা ১৯ লাখ টাকা গণপরিবহনে আজ থেকে জিপিএস বাধ্যতামূলক মেসেঞ্জারে আপত্তিকর কথোপকথনের স্ক্রিনশট ভাইরাল, ছাত্রশক্তির নেতাকে অব্যাহতি কুলাউড়ায় রেলওয়ের পরিত্যক্ত ভবন ও হাজার একর জমি অবৈধ দখলে চৌদ্দগ্রামে বেতনভাতা বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ লোহাগড়ায় মতবিনিময় সভা ও পৌর শাখা কমিটি গঠন দেশসেরা স্প্রিন্টার জাকির হোসেনকে জামায়াতের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জ্ঞাপন ভারতে বসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতে পারবেন না শেখ হাসিনা শ্রাবণে উপবাস ভাঙুন পুষ্টিকর শুকনো ফলের লাড্ডুতে, রইল সহজ রেসিপি সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোটে যুক্ত হলো বাংলাদেশ

১৫০ বছর পর লাইব্রেরিতে ফিরল ধার নেওয়া বই, জরিমানা ১৯ লাখ টাকা

অস্ট্রেলিয়ার একটি পাবলিক লাইব্রেরিতে অবিশ্বাস্য এক ঘটনা ঘটেছে। প্রায় দেড় শতাব্দী আগে ধার নেওয়া একটি বই সম্প্রতি লাইব্রেরিতে ফেরত এসেছে। নিয়ম অনুযায়ী হিসাব করলে, এত বছর বইটি নিজের কাছে রাখার কারণে এর বিলম্ব ফি দাঁড়ায় প্রায় ১৯ লাখ টাকা।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত ‘অ্যান্টিকুইটিজ অব এথেন্স’ নামের বইটি গত সপ্তাহে কিয়ামা শহরের একটি পাবলিক লাইব্রেরিতে জমা দেন স্থানীয় এক বাসিন্দা। তিনি জানান, বাড়ি সংস্কারের সময় বহু বছর ধরে বন্ধ থাকা একটি ফায়ারপ্লেসের ভেতরে ইট দিয়ে সিল করা একটি চায়ের বাক্স থেকে বইটি উদ্ধার করেন।

কিয়ামা লাইব্রেরির ব্যবস্থাপক মিশেল হাডসনের ভাষ্য, লাইব্রেরির পুরোনো নিয়ম অনুযায়ী প্রতি সপ্তাহে তিন পেন্স করে বিলম্ব ফি নির্ধারিত ছিল। সেই হারকে বর্তমান মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় করলে বইটি দেরিতে ফেরত দেওয়ার জরিমানা প্রায় ১৮ লাখ ৭০ হাজার রুপিতে পৌঁছায়।

তিনি জানান, এত দীর্ঘ সময় পর কোনো বই ফেরত আসার ঘটনা এর আগে তারা দেখেননি। সামাজিক মাধ্যমে অন্যান্য লাইব্রেরির অভিজ্ঞতায় ৩০ বা ৪০ বছর পর বই ফেরত আসার ঘটনা দেখা গেলেও ১৫০ বছরের ব্যবধান সত্যিই বিরল। তবে বইটি প্রথমে কে ধার নিয়েছিলেন, তা জানা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ, ১৮৭০-এর দশকের ধার নেওয়ার রেজিস্টারটি অনেক আগেই হারিয়ে গেছে। ফলে বইটির সর্বশেষ বৈধ গ্রহীতার পরিচয় শনাক্ত করার কোনো উপায় নেই।

সেই সময় লাইব্রেরির নিয়ম ছিল, নতুন বই নেওয়ার আগে আগের বই ফেরত দিতে হবে এবং সব বকেয়া পরিশোধ করতে হবে। একই পরিবারের সর্বোচ্চ তিনটি বই ধার নেওয়ার অনুমতি ছিল, তবে পরিবারের অন্তত ছয়জন সদস্যের পড়তে জানার শর্তও ছিল। এছাড়া নেশাগ্রস্ত ব্যক্তিদের বই ধার দেওয়া হতো না। মিশেল হাডসন মজা করে বলেন, সম্ভবত এসব কঠোর নিয়মের কারণেই বইটি আর ফেরত আসেনি।

চিমনির ভেতরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় বইটি বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবু এটি এখন লাইব্রেরির ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে সংরক্ষণ করা হবে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে বইটি আর বাইরে ধার দেওয়া হবে না। হাডসনের ভাষায়, ‘এই বইটির জন্য আমরা ১৫০ বছর অপেক্ষা করেছি। এবার আর এটিকে বাইরে যেতে দিতে চাই না।’


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: