সোমবার, ০৮ Jun ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম
বটগাছের ছায়ায় ২০০ বছরের রতডাঙ্গা হাট নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ এ কৃতিত্ব অর্জনকারী খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা দিলেন মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক লক্ষ্মীপুরে খাল খননের মাটি দিয়ে তৈরি হচ্ছে রাস্তা, স্বস্তিতে হাজারো কৃষক নড়াইলে ডিজিটাল নিরাপত্তা ও ফ্যাক্ট চেকিংয়ে তরুণদের প্রশিক্ষণ ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার মধ্যে সাহসিকতা রয়েছে: ট্রাম্প বাজেট অধিবেশন শুরু, বাজেট প্রস্তাব ১১ জুন নড়াইলে বজ্রপাতে মৃত্যু ২ কালিগঞ্জে মাদকবিরোধী মানববন্ধন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি চৌদ্দগ্রাম নবাগত ইউএনও কে শুভেচ্ছা জানান উপজেলা ও পৌরসভা শ্রমিকদলের নেতৃত্ববৃন্দ দৌলতপুরে আলোচিত জোড়া হত্যা মামলার পলাতক আসামি সবুজ গ্রেপ্তার

লক্ষ্মীপুরে খাল খননের মাটি দিয়ে তৈরি হচ্ছে রাস্তা, স্বস্তিতে হাজারো কৃষক

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : বাংলাদেশ সরকারের উন্নয়ন দর্শনের অংশ হিসেবে দেশব্যাপী শুরু হয়েছে বিশাল খাল খননের কর্মযজ্ঞ। ‘কৃষি বাঁচলে, বাঁচবে দেশ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার পুরোদমে চলছে খাল খনন ও পুনঃখনন কার্যক্রম। এরমধ্যে ভবানীগঞ্জের খাল খননের চলমান চিত্র দেখতে গিয়ে দেখা গেছে ভিন্ন দৃশ্যপট, এই প্রকল্পের মাধ্যমে একদিকে খালের মাটি দিয়ে তৈরি হচ্ছে টেকসই যাতায়াত ব্যবস্থা অন্যদিকে কৃষিতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত হচ্ছে। এছাড়া সদর উপজেলার ১২ টি ইউনিয়ন ও চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ৯ ইউনিয়নে চলছে খাল খননের কাজ যা সব সময় সদর উপজেলা প্রশাসনের তদারকিতে রয়েছে বলে জানান পিআইও।

​দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইজিপিপি (EGPP) প্রকল্পের আওতায় ৪০ দিনের কর্মসূচিতে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায় প্রায় ১৫ কিলোমিটার খাল খননের কাজ চলছে। এই প্রকল্পের জন্য মোট ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দেশব্যাপী ১৫০০ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের যে মহাপরিকল্পনা সরকার হাতে নিয়েছে, তারই অংশ হিসেবে লক্ষ্মীপুরে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

​কৃষি ও যাতায়াতে নতুন দিগন্ত ​এই খাল খনন প্রকল্পটি স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য দ্বিমুখী হয়ে এসেছে। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা বলেন, “আমরা কেবল খাল খনন করছি না, বরং একটি টেকসই পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। প্রধানমন্ত্রীর এই বিশেষ উদ্যোগের ফলে এলাকার ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়বে, যা ভূ-গর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমাবে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ​খাল খননের উত্তোলিত মাটি দিয়ে খালের পাড়েই যাতায়াতের জন্য প্রশস্ত রাস্তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এতে করে দুর্গম এলাকার মানুষের যাতায়াত ও উৎপাদিত ফসল বাজারজাতকরণ সহজতর হবে। সঠিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার ফলে বর্ষা মৌসুমে কৃত্রিম জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্তি পাবে কয়েক হাজার পরিবার।

​উল্লেখ্য যে, সরকার আগামী ৫ বছরে সারাদেশে মোট ২০ হাজার কিলোমিটার খাল ও নদী খননের বিশাল পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। প্রথম পর্যায়ে দেশের ৫৪টি জেলায় একযোগে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: