শুক্রবার, ২৫ Jun ২০২১, ০৩:৫১ অপরাহ্ন

শিরোনাম
লকডাউন শেষে এখন শাটডাউন খেলা শুরু করছে সরকার : মান্না ভূমধ্যসাগরে ভাসমান ২৬৪ বাংলাদেশি উদ্ধার হাতীবান্ধায় মধ্যরাতে গোয়াল ঘরে আগুন, গরু বাঁচাতে গিয়ে ২জন অগ্নিদগ্ধ গ্রাম হচ্ছে শহর প্রাণভোমরা ডিজিটাল সেন্টার – পরীক্ষিৎ চৌধূরী সুইজারল্যান্ডে এমপি হয়ে ইতিহাস গড়লেন বাংলাদেশি নারী জেনারেল র‌্যাংক ব্যাজ পরানো হলো নতুন সেনাপ্রধানকে ‘ওভারনাইট বান্দরবান পাঠিয়ে দেব’ বিজ্ঞাপন বন্ধের নির্দেশ করোনা চিকিৎসার ব্যবস্থাপনা ও প্রস্তুতি জানতে ঢাকা মেডিকেলে জাসদ নেতৃবৃন্দ ব্যাটারি চালিত রিক্সা-ভ্যান বন্ধের প্রতিবাদে সিরাজগঞ্জে মানববন্ধন যোগচর্চার উৎপত্তি ভারত না নেপাল

২৪ হাজার বছর পর প্রাণ ফিরে পেল আণুবীক্ষণিক জীব

নিউজ ডেস্ক :: অনুকূল তাপমাত্রায় ২৪ হাজার বছর পর ফের প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে একটি আণুবীক্ষণিক জীব। রাশিয়ার বিজ্ঞানীরা সুদূর উত্তরের ইয়াকুটিয়ার অঞ্চল থেকে আণুবীক্ষণিক এ জীবটি উদ্ধার করেন। প্রাচীন এই জীবটির নাম ডিলয়েড রটিফার। ডিলয়েড রটিফার নামের এ বহুকোষী জীবটি বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে মিঠাপানির আবাসে পাওয়া যায়। এটি চরম ঠাণ্ডা সহ্য করে টিকে থাকতে সক্ষম।

উত্তর-পূর্ব সাইবেরিয়ার বিশাল চিরহিমায়িত (পার্মাফ্রস্ট) অঞ্চলে আণুবীক্ষণিক জীবটি এত বছর হীমাঙ্কের নিচে তাপমাত্রায় বরফ হয়ে জমেছিলে। উদ্ধারের পর বিজ্ঞানীরা প্রাণবন্ত হয়ে এটি পুনরুৎপাদনও শুরু করেছে।

মাটির ৩ দশমিক ৫ মিটার গভীর থেকে সংগ্রহ একটি নমুনা থেকে এ প্রাণীটিকে উদ্ধার করা হয়। বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে এর জীবনকাল ২৩ হাজার ৯৬০ থেকে ২৪ হাজার ৪৮৫ বছর বলে ধারণা করেন। সম্প্রতি কারেন্ট বায়োলজি নামক সাময়িকীতে প্রাণীটি নিয়ে গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ হয়েছে।

ডিলয়েড রটিফার নিয়ে এর আগে করা কিছু গবেষণার পর বিজ্ঞানীরা বলেছিলেন, এগুলো হীমাঙ্কের ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস নিচে এক দশক পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে। তবে এবারে পাওয়া প্রাণীটি বরফ হয়ে টিকে থাকার ক্ষেত্রে এ প্রজাতির পূর্বের সকল রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।

যদিও হীমাঙ্কের নিচে টিকে থাকার দীর্ঘতম রেকর্ড এটি নয়। এর আগে নেমাটোড নামের একটি বহুকোষী আণুবীক্ষণিক জীবের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল, যেটি কিনা ঠাণ্ডায় জমে ৩০ হাজার বছর ধরে টিকেছিল।

কিন্তু কি করে এত কম উষ্ণতার মধ্যে নিজেদের শরীরে প্রাণের চিহ্ন বজায় রাখা সম্ভব তা নিয়ে চলছে গবেষণা। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন যে, প্রাণীদের মধ্যে এমন কিছু বিশেষ ক্ষমতা থাকে যা নিজেদের কোষকে অত্যন্ত কম উষ্ণতার মধ্যে বাঁচিয়ে রাখতে সাহায্য করে। বহুকোষী প্রাণীরা কিভাবে দীর্ঘ বছরে বেঁচে থাকতে পারে, তা জেনে রীতিমত অবাক বিজ্ঞানীরা। এর ফলে আগামী দিনে জিন গবেষণা এবং বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখা তে গবেষণার নতুন দিগন্ত আবিষ্কৃত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
সূত্র : আল জাজিরা, সাইন্স এলার্ট
এসএ/

নিউজটি শেয়ার করুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগীতায় :বাংলা থিমস| ক্রিয়েটিভ জোন আইটি