সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ০৩:০৬ অপরাহ্ন

যান্ত্রিকপদ্ধতিতে কেটে যাবে মুগডাল চাষ বিমুখতা, লাভবান হবে কৃষক

বিশেষ প্রতিনিধি : বাড়বে দেশে মুগ ডালের উৎপাদন ও ফলন, উন্নত হবে বীজের মান। গত ১০ জুন পাবনার ঈশ্বরদীর ডাল গবেষণা কেন্দ্রে কৃষক কৃষাণীদের এক মাঠদিবসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. নাজিরুল ইসলাম এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রচুর পুষ্টি ও উদ্ভিদজাত আমিষে পরিপূর্ণ খরিপ মৌসুমের প্রধান ডাল জাতীয় ফসল মুগ শুধু মানুষই নয় মাটির স্বাস্থ্যেরও উন্নয়ন করে। এর মূলে থাকা গুটি গুটি নডিউল বাতাসের নাইট্রোজেনকে সংঘবদ্ধ করে নিজেই ইউরিয়া সারের চাহিদা মেটায়। এতে একই সঙ্গে মাটির উর্বরতাও বাড়ে। ফসলটি খুব স্বল্প সময়ে ঘরেও তোলা যায়। এতো গুণ থাকার পরেও প্রচন্ড শ্রমিক সংকটে কৃষক আজ মুগ চাষে বিমুখ।

শ্রমিকের অভাবে কাটার মজুরীর সঙ্গে মুগ উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে লোকসানে পড়ে কৃষক। যন্ত্র দিযে একবারে কেটে মাড়াই করায় এখন কৃষকরা মুগচাষে লাভের মুখ দেখবেন। দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে বারি বিরামহীন গবেষণায় মুগফসলের উন্নত প্রযুক্তি উদ্ভাবনে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়ে চলেছে।

ডাল গবেষণা কেন্দ্র ও আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের পরিচারক রইছউদ্দিন চৌধুরী’র সভাপতিত্বে মাঠদিবসের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, বারি’র পরিচালক (গবেষণা) ড. মো. মিয়ারুদ্দীন। প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলতাফ হোসেন, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শাহিনুজ্জামান, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আরিফুল ইসলাম ও দেবাশীষ সরকার এসময় উপস্থিত ছিলেন। গাজীপুরের জয়দেবপুরের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং ঈশ্বরদীর বিভিন্ন অঞ্চলের মুগফসল চাষীরা এতে অংশ নেন ।

নিউজটি শেয়ার করুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগীতায় :বাংলা থিমস| ক্রিয়েটিভ জোন আইটি