সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ১২:৫২ অপরাহ্ন

শিরোনাম
মানিকগঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন শিবালয় থানা অফিসার ইনচার্জ রউফ সরকার শহীদ আহ্সান উল্লাহ মাস্টারের শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন বাবুর শপথ – মোবারক হোসেন দেলোয়ার চৌদ্দগ্রামে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে নিহত-৫, আহত-১৫ বিদেশি ঋণের প্রকল্প দ্রুত শেষ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর চৌদ্দগ্রামে জায়গা জমি সংক্রান্ত বিরোধে ছুড়িআঘাতে যুবক নিহত, গ্রেফতার-২ নোয়াখালী সুবর্ণচরে গাভীর সিজারিয়ান অপারেশন নোয়াখালী সদরে হজ্ব প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত চৌদ্দগ্রামে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র জমা বাঘা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে ৩ প্রার্থীসহ ৯জনের মনোনয়নপত্র দাখিল

মৃত্যুর ১০ দিন পরও চালু মোবাইল, তদন্তে নতুন মোড়

নিউজ ডেস্ক : রহস্য যেন পিছুই ছাড়ছে না সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু নিয়ে। একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসছে এর অনুসন্ধানে। কেন আত্মহত্যা করেছেন সুশান্ত? কিংবা আদৌ এটা আত্মহত্যা কি না সেটাই জানার চেষ্টা করছে ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ, সিবিআই।

তদন্তের অংশ হিসেবে এবার এসেছে নতুন খবর। জানা গেল, মৃত্যুর ১০ দিন পরও নাকি চালু ছিলো সুশান্তের ম্যানেজার দিশার মোবাইলটি। বেশ কয়েকটি ইন্টারনেট কলও হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তার মানে হচ্ছে দিশার মোবাইল ফোনটি পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেনি। সুশান্তের মৃত্যু রহস্য উদঘাটনে পুলিশের অনেক গাফিলতি উঠে আসছে ক্রমান্বয়ে।

সুশান্তের পরিবার, ভক্তদের দাবির মুখে সিবিআই এর হাতে গিয়েছে এ অভিনেতার মৃত্যুর তদন্তভার। ইতোমধ্যে শুরু বয়েছে তদন্ত। বার কয়েক সুশান্তের বান্দ্রার ফ্ল্যাটেও হানা দিয়েছে সিবিআই। জেরা করেছে সুশান্তের বন্ধু সিদ্ধার্থ পিঠানীসহ দুই পরিচারককে। সবার বয়ানেই অসঙ্গতি খুঁজে পেয়েছে সিবিআই।

এবার সামনে আসলো আরও একটি অবাক করা তথ্য। মত্যুর পরও বেশ কিছুদিন সক্রিয় ছিল সুশান্তের প্রাক্তন ম্যানেজার দিশা সালিয়ানের ফোনটি। সুশান্তের মৃত্যুর ৬ দিন আগেই ৮ জুন রহস্যজনক মৃত্যু হয় দিশা সালিয়ানের। বলা হয় তিনি একটি বহুতল থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। কিন্তু তার মৃত্যুর একসপ্তাহ পরও সক্রিয় ছিল দিশার ফোনটি।

একটি সূত্র মারফত পাওয়া খবর অনুযায়ী, ৯ থেকে ১৭ জুনের মধ্যে বেশ কয়েকটি ইন্টারনেট কল করা হয়েছে দিশার ফোন থেকে। যদিও কে বা কারা তার ফোন ব্যবহার করেছে তা স্পষ্ট নয়। তাদের খুঁজছে সিবিআই।

মৃত্যুর দুদিন আগে দিশার ফোন থেকে তিনটে ইন্টারনেট কল করা হয়েছিল। অর্থাৎ ৬ জুন সেই ফোনগুলো করা হয়। ৭ জুন রাত ১২টা ২ এবং ১২টা ৫৭ মিনিটে দুটি ইন্টারনেট কল করা হয়। এদিন দিশার ফোন থেকে মোট ৩৬টি কল করা হয়। যদিও ১২টা ১০ মিনিটে দিশা ফোন করেছিলেন বন্ধু একতাকে।

এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, দিশার মৃত্যুর খবর সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশকে দেওয়া হয়। কয়েক মিনিটের মধ্যে তারা এসে উপস্থিত হন। কিন্তু দিশার ফোন পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেনি।


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: