শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
উজিরপুরে সড়ক ছাড়াই দাঁড়িয়ে আছে ৭ কোটি টাকার সেতু ধনবাড়ীতে কেন্দ্রীয় মন্দির নির্মাণে আলোচনা সভা অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে কেন্দ্র করে কুলাউড়ায় এনসিপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ- জেলা নেতা আটক ৫ লক্ষ্মীপুরে মাদকের বিরোধিতা করায় ব্যবসায়ীকে হুমকি,  এলাকাবাসীর প্রতিবাদ দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জি এম নূর ইসলামের দাফন সম্পন্ন সরকার সর্বক্ষেত্রে দলীয়করণ করছে-মিয়া গোলাম পরওয়ার “মুন্সীগঞ্জ ডিবির অভিযানে ফিরিঙ্গী বাজার হতে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ০১ জন গ্রেফতার” উত্তরার স্বেচ্ছাসেবক লীগের মিছিল, আটক ১ ‘২০১২’ সিনেমার সেই ভয়ংকর দৃশ্যই কি এখন নেপালের বাস্তবতা? নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা বা হড়

ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ভুল রিপোর্টে পা হারাল স্কুলশিক্ষার্থী

পিরোজপুরের নেছারাবাদে (স্বরূপকাঠি) হেলথ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ভুল রিপোর্টের কারণে মো. জিহাদুল ইসলাম (১৪) নামের এক স্কুল শিক্ষার্থী পা কেটে ফেলতে হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারী) জিহাদের সহপাঠীরা ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টার ঘেরাও করে। পরে সেটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

জিহাদ উপজেলার সোহাগদল গ্রামের মো. আমিনুল ইসলাম মিলন মিয়ার ছেলে।সে স্বরূপকাঠি কলেজিয়েট অ্যাকাডেমির নবম শ্রেণির ছাত্র।

জিহাদের বাবা মিলন জানান, ২০ দিন আগে তার ছেলে মোটরসাইকেল থেকে পড়ে ডান পায়ে ব্যথা পান। চিকিৎসার জন্য তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডান পায়ের গোড়ালি এক্সরে করার জন্য প্রেসক্রিপশন লিখে দেন। পরীক্ষা করানোর জন্য তারা জিহাদকে হাসপাতাল সংলগ্ন হেলথ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নিয়ে যান।

সেখানে টেকনেশিয়ান তার পায়ের গোড়ালির পরিবর্তে হাটুর এক্সরে করেন। হাসপাতালের ডাক্তার সে রিপোর্ট অনুযায়ী হাঁটু ব্যান্ডেজ করে দেন। কয়েকদিন পর তার পায়ে পচন ধরে। অবস্থা খারাপ দেখে চিকিৎসার জন্য ঢাকার পিজি হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে দেখতে পায় জিহাদের পায়ের গোড়ালির রগ ছিড়ে গিয়েছিল।

ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ভুল রিপোর্টের কারণে ভুল চিকিৎসায় তার পায়ের ভেতর পচে গেছে। পরে সেখানকার ডাক্তাররা বোর্ড বসিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে জিহাদের পা হাঁটু পর্যন্ত কেটে ফেলেছেন। এ ঘটনায় উপযুক্ত বিচার চান জিহাদের বাবা।
হেলথ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক মো. মাসুদ রানা বলেন, ‘ওই ছেলের কথামতো এক্সরে করে দিয়েছি। ডাক্তারের দেওয়া প্রেসক্রিপশন দেখে এক্সরে না করায় আমাদের ভুল হয়েছে।’

এ বিষয়ে নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘ভুক্তভোগীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি সাময়িক বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলার সিভিল সার্জনের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয়েছে। তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: