সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন
জেলা প্রতিনিধি ( নীলফামারী) : তিস্তা নদীর পানি কমতে শুরু করলেও প্লাবনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মেলেনি নদীপাড়ের হাজারো মানুষ। সোমবার (৪ আগস্ট) সকাল ৯টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এর আগে রবিবার (৩ আগস্ট) সকালে পানি ছিল বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার নিচে। তবে সকাল ৯টায় তা বিপৎসীমায় পৌঁছে যায় এবং দুপুরের দিকে ৫ সেন্টিমিটার ওপরে উঠে যায়। রাতের পর থেকে পানি নামতে শুরু করলেও ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা রয়ে গেছে।
তিস্তার হঠাৎ পানি বৃদ্ধির ফলে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাঁপানী ও গয়াবাড়ী এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী, শৌলমারী ও কৈমারী ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে নতুন করে পানি ঢোকার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এসব এলাকার ৮ থেকে ১০ হাজার পরিবারের বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়তে পারে বলে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের আশঙ্কা।
স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ পানি বাড়ায় অনেকেই ইতিমধ্যে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। কৃষিজমি, রাস্তাঘাট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও পানি ঢোকার খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, নদীপাড়ের মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শুকনো খাবার ও মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি।