সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন
মোঃ মুজিবুর রহমান নিজস্ব প্রতিনিধি: অবৈধ অর্থ উদ্ধারসহ রাষ্ট্রের পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের দাবিতে ঠাকুরগাঁওয়ে গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে ঠাকুরগাঁও পাবলিক ক্লাব মাঠে এ গণসমাবেশের আয়োজন করে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ও আমার বাংলাদেশ পার্টি।
অহিংস গণ অভ্যুত্থান বাংলাদেশ ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সভাপতি শিল্পী বেগমের সভাপতিত্বে এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন বাংলাদেশের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দীক,
প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন অহিংস গণ অভ্যুত্থান বাংলাদেশের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, অহিংস গণ অভ্যুত্থান বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম চৌধুরী ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদার ভূঁইয়া।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, অহিংস গণ অভ্যুত্থান বাংলাদেশেরৎসিনিয়র সহ সভাপতি আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার মো: নজরুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল উদ্দীন আহমেদ, ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশের প্রধান সংগঠক নাঈম আহমেদ, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের দপ্তর সম্পাদক ছামিউল আলম রাসু, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক কনক রহমান, আমার বাংলাদেশ পার্টির ঠাকুরগাঁও জেলা সমন্বয়ক নাহিদ রানা, বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলন রুহিয়া থানার সভাপতি প্রফুল্ল কুমার বর্মন, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের ভূমিহীন, মৎস্যজীবী ও অবাংগালী জাতিগোষ্ঠী বিষয়ক সম্পাদক শেখ নাসিরউদ্দীন, রাষ্ট্র ঘোষিত সনদপ্রাপ্ত সাহসী সাংবাদিক মুজিবুর রহমানসহ অন্যান্যরা।
গণসমাবেশে বক্তারা বলেন, রাষ্ট্রের সর্বস্তরে অনিয়ম, দুর্নীতি ও বৈষম্য দূর করে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে একটি পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্র সংস্কার জরুরি। তারা আরও বলেন, অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ উদ্ধার করে তা জনগণের কল্যাণে ব্যবহার করতে হবে।
২০১২ সালে সংবিধানের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের দাবিতে শুরু হওয়া একটা ছোট গ্রুপ আজ বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের দাবিতে জনমত তৈরি করতে সমর্থ হয়েছে। কিন্তু মানবিক রাষ্ট্রের বাস্তবায়ন এখনো সম্ভব হয়নি। সেই লক্ষ্যে জুলাই সনদের একটি টেকসই এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য বাস্তবায়নের পদ্ধতি জরুরি। রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন সেটির ওপর শুরু থেকেই গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।
বক্তারা আরো বলেন, হাসিনার নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের নিবন্ধন দেয়নি। পরে আদালত রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনকে নিবন্ধন দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন।’ বর্তমান নির্বাচন কমিশন দ্রুততম সময়ে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনকে নিবন্ধন দেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এছাড়াও বক্তারা শান্তিপূর্ণ ও অহিংস উপায়ে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে সকলের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার আহ্বান জানান।