সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০১:১৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম
রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মমতাজুর রহমানের ইন্তেকাল ড্রাগন চাষে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন আনিস কাশিয়ানীতে পাউরুটি কিনতে গিয়ে দুই শিশু ধর্ষণচেষ্টার শিকার, অভিযুক্ত পলাতক লক্ষ্মীপুরে দুস্থ-অসহায়দের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ চৌদ্দগ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বাদীকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি, থানায় অভিযোগ বাংলাদেশের হারে ফাইনালের পথ সহজ হলো ভারতের ইউক্রেনকে ৯২০ কোটি ডলার দিচ্ছে নরওয়ে এনএসআইয়ের পরিচালক হলেন পুলিশের ২ ডিআইজি খালেদা জিয়ার সাজে অভিনেত্রী চমক, যা বলছেন নেটিজেনরা ইরানি হ্যাকারদের সাইবার হামলা: ৪ দিন বন্ধ ছিল যুক্তরাজ্যের বিদ্যুৎকেন্দ্র

সেহরি না খেয়ে কি রোজা রাখা যাবে?

পবিত্র রমজান মাস ইবাদত, তাকওয়া ও আত্মশুদ্ধির মাস। রোজার সঙ্গে জড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো সেহরি খাওয়া। এতে রয়েছে বরকত।

অনেকে জানতে চান, সেহরি না খেলে কি রোজা রাখা যাবে?

এর উত্তরে ফুকাহায়ে কেরাম বলেন, সেহরি খাওয়া সুন্নত। সেহরি না খেয়ে রোজা রাখা জায়েজ হবে, এতে কোনো আপত্তি নেই। তবে সেহরির সময় কিছু খেয়ে নেয়াই বরকতময়। রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা সেহরি খাও! কেননা সেহরিতে মহান আল্লাহ বরকত রেখেছেন। (বুখারি, হাদিস: ১৯২৩; মুসলিম, হাদিস: ১০৯৫)

মনে রাখতে হবে, পেট ভরে খেতে হবে– এমন কোনো শর্ত নেই। মাছ, দুধ বা খেজুর কিংবা হালকা কিছু খেলেও সেহরি খাওয়া হয়। কেউ যদি সেহরিতে উঠতে না পারে, তাহলে তাকেও রোজা রাখতে হবে। সেহরি খাওয়া মুস্তাহাব ও বরকত। (বিনায়া শরহে হেদায়া: ৪/১০৩)

আরও পড়ুন:  ইফতার সামনে রেখে যে দোয়াগুলো পড়তে পারেন

তারাবি নামাজের নিয়ত
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৬ আমল

মুসলমান আর ইহুদি-খ্রিস্টানদের রোজার পার্থক্য সেহরি। সেহরি খাওয়ার অনেক ফজিলত হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আহলে কিতাব তথা ইহুদি-খ্রিস্টান আর মুসলমানদের রোজার মধ্যে শুধু সেহরি খাওয়াই পার্থক্য। অর্থাৎ তারা সেহরি খায় না আর আমরা সেহরি খাই।’ (মুসলিম, হাদিস: ১৮৪৩; তিরমিজি, হাদিস: ৬৪২)


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: