বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ১০:২৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ৮৫২ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক মুন্সীগঞ্জে গণশুনানি কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয় চৌদ্দগ্রামে স্কুল মাঠে জলাবদ্ধতা, ব্যাহত পাঠদান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা: সমঝোতা ‘শেষ’ ঘোষণা ট্রাম্পের ৩০০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিলো যুবদল প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি গড়ে তুলতে স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াচ্ছে সরকার: সংসদে প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ঢাকা মেডিকেল পরিদর্শনে উচ্ছ্বসিত সাবেক ও বর্তমান ৬ ফ্রান্সের ম্যাচে সব রেফারি আর্জেন্টিনার, ফিফার ‘লজ্জা নেই’ বলছে ফরাসি মিডিয়া শেষ আটের আগে বিশ্বকাপ জয়ের গাণিতিক সম্ভাবনায় এগিয়ে যারা ‘মেসি দেখিয়ে দিলেন চ্যাম্পিয়নদের হৃদস্পন্দন কেমন হয়’

কাপ্তাইয়ে সরকারি আগর বনায়নের গাছ কেটে পাঁচ একর জমি দখলের অভিযোগ

কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :
রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় বন বিভাগের ঝুম নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় সৃজিত সরকারি অংশীদারিত্বের আগর বনায়নের গাছ কেটে প্রায় পাঁচ একর জমি দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার সকালে কাপ্তাই উপজেলার কাপ্তাই ইউনিয়নের দুর্গম ১৩০ নং বারুদ গোলা মৌজার কুতুবদিয়া রেঞ্জের হরিণছড়া বিট এলাকার ঘটনাটি নিয়ে ১১৯ নং ভাইয্যাতলী মৌজার হেডম্যান থোয়াই অং মারমা এ প্রতিবেদককে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, এলাকার মায়ারাম চাকমা, মংহলাপ্রু, বসন্ত কুমার তঞ্চঙ্গ্যা ও থোয়াই পা অং মারমার পরিবারসহ কয়েকজন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি তাকে জানান যে, ১৩০ নং বারুদ গোলা মৌজার হেডম্যান কালাচান তঞ্চঙ্গ্যার ছেলে প্রেম কুমার তঞ্চঙ্গ্যার নেতৃত্বে একদল লোক গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত সরকারি অংশীদারিত্বে সৃজিত প্রায় পাঁচ একর আগর বনায়নের গাছ জুমের নামে কেটে জায়গাটি জবরদখল করে নেয়।

তিনি আরও জানান, শুক্রবার তিনি সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অভিযোগের সত্যতা পান এবং ছবি সংগ্রহ করেন। কাগজপত্র পর্যালোচনা করে জানা গেছে, ২০০৮ সালে বাংলাদেশ বন বিভাগের ঝুম নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় বারুদ গোলা মৌজার কুতুবদিয়া রেঞ্জের হরিণছড়া বিট এলাকায় পাহাড়ি ও বাঙালি মিলিয়ে ১০ জনকে সরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে আগর বনায়ন সৃজনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে জানান তিনি। এতে পাহাড়ি ও বাঙালি পরিবারগুলোর মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত বন বিভাগের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ১৩০ নং বারুদ গোলা মৌজার হেডম্যান কালাচান তঞ্চঙ্গ্যা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জমিটি তার নিজস্ব। ২০০৮ সালে ঝুম নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় স্থানীয় ১০ জনকে চুক্তিভিত্তিতে দেওয়া হলেও সেই চুক্তির মেয়াদ ২০২০ সালে শেষ হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

এদিকে ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগের রেঞ্জ অফিসার শাহজাহান আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। এলাকা দুর্গম হওয়ায় এখনো পরিদর্শন করা সম্ভব হয়নি, তবে দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: