রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০৮:৫১ অপরাহ্ন

শিরোনাম
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চৌদ্দগ্রাম শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত মেঘনার ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে: দ্রুত শুরু হচ্ছে জরুরি কাজ – পানিসম্পদ মন্ত্রী তারেক রহমান তার প্রত্যেকটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিচ্ছেন – খায়ের ভূঁইয়া নড়াইলে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন গাজীপুরে টিসিবির ট্রাকসেল কার্যক্রম: সাধারণ মানুষের আগ্রহ বাড়ছে মেঘনা ভাঙনে হুমকিতে উপকূল, জরুরি ভাঙ্গন প্রতিরোধের আশ্বাস পানিসম্পদ মন্ত্রীর বেহেশতের কার্ড কিনলে ঠকে যেতেন নগদে : এমপি আবুল খায়ের “মুন্সীগঞ্জ জেলা ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ তিনজন গ্রেফতার” ভারতে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ আগুন মেহেরপুরে ছাত্রলীগের পোস্টার লাগানোর ভিডিও ভাইরাল

মেঘনার ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে: দ্রুত শুরু হচ্ছে জরুরি কাজ – পানিসম্পদ মন্ত্রী

‎লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি :

নোয়াখালীর সূবর্ণচর ও হাতিয়া অঞ্চলের মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। জনগণের স্বার্থে এবং স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে আগামী অর্থবছর থেকেই ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী প্রকল্পের কাজ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।

রবিবার ১৭ মে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙন কবলিত মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে কাটাখালি বাজার ও আশপাশের এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

‎ভাঙনের ভয়াবহ চিত্র প্রত্যক্ষ করে মন্ত্রী বলেন, চোখের সামনেই মানুষের বসতভিটা, বাজার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। জনগণের পাশে থাকা এবং তাদের জানমাল রক্ষা করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই আমরা এলাকাটি পরিদর্শনে এসেছি।

‎বর্ষা মৌসুম ও অতিপ্লাবনের হাত থেকে স্থানীয়দের রক্ষায় তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সামনে বর্ষা মৌসুম থাকায় ভাঙন প্রতিরোধে আমরা ইতিমধ্যে ‘”ইমার্জেন্সি ওয়ার্ক” হাতে নিয়েছি। এছাড়া আরও দুই-তিনটি পয়েন্টে দ্রুত জরুরি কাজ শুরু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

‎শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, নদীর অপর প্রান্তে উড়িরচর, স্বর্ণদ্বীপ ও ভাসানচরসহ পুরো হাতিয়া নদীভাঙন এলাকার দিকে আমাদের বিশেষ নজর রয়েছে। সেখানে অনেকগুলো প্রকল্প চলমান। তবে সুবর্ণচরের এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি একটি স্থায়ী বাঁধের। যেখানে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, সেখানে আমরা টেকসই বা পার্মানেন্ট কাজের ব্যবস্থা গ্রহণ করব। স্টাডি রিপোর্ট সম্পন্ন হওয়ার পর আগামী অর্থবছরের মধ্যেই এই স্থায়ী কাজগুলো সমাপ্ত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

‎বর্তমান সরকারের তিন মাসের কাজের মূল্যায়ন করে তিনি বলেন, “গত ১২ ফেব্রুয়ারি আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করেছি এবং ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে পুরোদমে কাজ শুরু হয়েছে। এই তিন মাসে প্রতিটি সেক্টরে কীভাবে উন্নয়ন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়, তা নিয়ে আমরা জনগণের স্বার্থে, জনগণের পাশে থেকে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

‎এসময় উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহান, নোয়াখালী জেলা প্রশাসক শফিকুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার এটিএম মোশাররফ হোসেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর চৌধুরী আলো, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন অর রশীদ আজাদ। এছাড়াও পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: