শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
উৎসাহ-উদ্দীপনায় শ্রী কৃষ্ণের জন্মতিথি জন্মাষ্টমী উদযাপিত ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম নৃত্য ও সংস্কৃতি : রুহুল কবির রিজভী যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর নতুন ভারপ্রাপ্ত সচিব নিয়োগ দিলেন ট্রাম্প মেসির পর অবসরের ঘোষণা দিলেন বিশ্বকাপজয়ী আরেক তারকা ভক্তদের সুখবর দিলেন মল্লিক বাড়ির বাবা-মেয়ে যে ৫ খাবার ফ্রিজে রেখে বাসি করে খেলে রোগীদের সুগার বৃদ্ধির ঝুঁকি কমবে! গোপালগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালিত ফুলবাড়ীতে আন্তঃনগর ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু সাফল্যের স্বীকৃতি পেল শ্যামনগরের জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা চৌদ্দগ্রামে শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোনার কলমাকান্দা প্লাবিত, বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার ওপরে উব্দাখালী নদীর পানি

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। উব্দাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় সীমান্তবর্তী পাঁচটি ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ঘরবাড়ি, পুকুর ও শাকসবজির খেত।

সোমবার দুপুর ১টার দিকে কলমাকান্দা পয়েন্টে উব্দাখালী নদীর পানি ৬ দশমিক ৯১ মিটারে পৌঁছায়, যেখানে বিপৎসীমা ৬ দশমিক ৭৩ মিটার।

পানির তীব্র চাপে গজারমারি-খারনৈ সড়কের শ্রীপুর এলাকায় প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার অংশের অন্তত পাঁচটি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন খারনৈ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওবায়দুর হক।

এদিকে পাহাড়ি ঢলের তোড়ে গণেশ্বরী নদীর তীরে অবস্থিত গজারমারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আধাপাকা ভবনের অর্ধেক অংশ ধসে পড়েছে। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আশরাফ উদ্দিন জানান, বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কোমরসমান পানি জমে রয়েছে।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, উব্দাখালী নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার ওপরে থাকলেও সোমেশ্বরী, কংস, মগরা ও ধনুসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচে রয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রোববার গভীর রাত প্রায় ২টার দিকে হঠাৎ পাহাড়ি ঢল নামলে পাঁচটি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়। এতে উপজেলার প্রায় ১২ কিলোমিটার কাঁচা ও পাকা গ্রামীণ সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে এলজিইডি।

কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামছুজ্জামান আসিফ বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান জানান, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: