সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম
বর্জ্যের বিনিময়ে বাজার : পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে ডিএসসিসি ও বিদ্যানন্দের উদ্যোগ চোরাচালান, মাদক ও সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বিজিবির প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে ১ কোটি ২০ লাখের বেশি বই নষ্ট মন্ত্রিসভা বৈঠকে ৯ম পে-স্কেল প্রস্তাব অনুমোদন নড়াইলে মেহগনি বাগান থেকে বন্দুক উদ্ধার গোপালগঞ্জে দেশব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বিএনপির মনোনয়ন পেলে টুমচরবাসীর কল্যাণে কাজ করতে চান যুবদল নেতা মোক্তার হোসেন সুবর্ণচরে ‘নজরুল বর্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ও আলোচনা সভা কুলাউড়ায় ৯৪টি ক্রীড়া সংগঠনের মধ্যে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ কুলাউড়ায় প্রধান শিক্ষিকাকে শোকজের নির্দেশ, বন্ধ শিক্ষকদের অতিরিক্ত বোনাস

রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে ১ কোটি ২০ লাখের বেশি বই নষ্ট

নিউজ ডেস্ক : ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের উপকণ্ঠের একটি ছাপাখানায় দেশটির নতুন শিক্ষাবর্ষকে সামনে রেখে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ চলছিল। বিশাল ওই ছাপাখানায় ১৩ লাখ বই ছাপার কথা ছিল। এই সংখ্যাটি ইউক্রেনের স্কুলগুলোর মোট পাঠ্যবইয়ের প্রায় ১০ শতাংশ। খবর বিবিসির।

কিন্তু রাশিয়ার হামলায় সেই ছাপাখানা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। মুহূর্তেই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে ১৩ লাখ বই। শুধু এই ছাপাখানি নয়, সম্প্রতি ইউক্রেনজুড়ে ছাপাখানা ও প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া। এসব হামলায় ১ কোটি ২০ লাখের বেশি বই নষ্ট হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইউক্রেনের ইতিহাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছর ইউক্রেনে ছাপা হওয়া মোট বইয়ের এক-তৃতীয়াংশ ধ্বংস করেছে রাশিয়া।

কিয়েভের ওই ছাপাখানায় কোনও কিছুই আর উদ্ধারযোগ্য নেই। আগুন থেকে বেঁচে যাওয়া বইয়ের পাতাগুলোও অগ্নিনির্বাপণের পানি কিংবা খোলা আকাশের নিচে পড়ে থাকার কারণে নষ্ট হয়ে গেছে।

প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান কনভির বাণিজ্যিক পরিচালক হাইদাই বলেন, ‘রাশিয়া ইচ্ছা করেই এসব করছে বলে আমি মনে করি। গত দুই মাসে সবচেয়ে বড় কয়েকটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের সরবরাহকেন্দ্র হামলায় ধ্বংস হয়েছে। এসব সরবরাহকেন্দ্রে বিপুলসংখ্যক বই মজুত ছিল।’

হাইদাই বলেন, ‘ইউক্রেন জাতিকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করেছে রাশিয়া। তাই ছাপাখানাগুলো ধ্বংস করছে তারা। তবে সত্যি বলতে, তারা সফল হবে না।’

গত কয়েক সপ্তাহে ইউক্রেনের ৩৫টির বেশি প্রকাশনা ও মুদ্রণ স্থাপনায় হামলা হয়েছে। শুধু নতুন বই-ই হামলার লক্ষ্য হয়নি, কিয়েভের পুরোনো বইয়ের বাজারেও হামলা হয়েছে। এতে শত শত বিক্রয়কেন্দ্র এবং অসংখ্য মূল্যবান বই ধ্বংস হয়েছে।

ইউক্রেনের সংস্কৃতিমন্ত্রী তেতিয়ানা বেরেজনা বলেন, ‘রাশিয়া আমাদের দীর্ঘদিনের ইতিহাসের প্রতীক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে।’

তেতিয়ানা জানান, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়া ইউক্রেনের ১ হাজার ৯০০-এর বেশি ঐতিহ্যবাহী নিদর্শন এবং ২ হাজারের বেশি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলা চালিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে শিল্প ও সাহিত্যকে টিকিয়ে রাখতে এবং শিশুদের পড়াশোনা সচল রাখতে এখন ডিজিটাল প্রযুক্তির ওপর জোর দেয়া হচ্ছে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: