শনিবার, ০৬ মার্চ ২০২১, ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন

উপসর্গের গোপনীয়তা : যেভাবে বিপদ ডেকে আনছেন…

কারোনাভাইরাসের তাণ্ডব চলছে বিশ্বব্যাপী।এদিকে, জ্বর বা শ্বাসকষ্ট গোপন করছেন অনেকেই।আইসোলেশন বা কোয়ারেন্টাইন এড়াতে তারা এই কাজ করছেন। এতে তারা নিজেরাই নিজেদের বিপদ ডেকে আনছেন।

শুধু তাই-ই নয়, একজন এভাবে গোপন করতে গিয়ে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরও সমস্যায় ফেলছেন। এভাবেই কার্যত বিপদ বাড়ছে গোটা সমাজে। সাম্প্রতিক করোনা পরিস্থিতিতে এমনটা বিশেষজ্ঞদের মতামত।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

কলকাতার উত্তর শহরতলির সল্টলেক বা দমদমে যে ক’জন আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে, তাঁদের অনেকেই প্রাথমিকভাবে জ্বরের উপসর্গ চেপে গিয়েছিলেন। চিকিৎসককে বলেননি যে তাঁর জ্বর এসেছিল বা শ্বাসকষ্ট ছিল। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতির ফলে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তখন অনেকটা দেরি হয়ে গিয়েছে। এই তিনজনই জ্বর কমানোর ওষুধ খেয়ে গিয়েছিলেন হাসপাতালে।হাসপাতালে ভর্তি হতে দেরিও করেছেন। একই ঘটনা দেখা গিয়েছে দমদমেও।

শনিবার দমদমের একটি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে করোনা মুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন পরেশ ঘোষ। তিনি শরীরে জ্বরের লক্ষ্মণ টের পাওয়া মাত্র ভর্তি হয়েছিলেন হাসপাতালে। চিকিৎসার পর এখন তিনি সুস্থ।

ওই হাসপাতালের সিইও নিবেদিতা চট্টোপাধ্যায় জ্বর গোপন করার প্রবণতা সম্পর্কে সতর্ক করে বলেছেন, অনেকে ওষুধ খেয়ে জ্বর গোপন করে ভর্তি হয়ে যাচ্ছেন। তাঁদের জেনারেল বেডে রাখা হচ্ছে। তারপর ওষুধের প্রভাব কেটে যাওয়ার ১২ ঘন্টা পর শরীরের তাপমাত্রা দেখা দিচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা করোনা টেস্টের জন্য জন্য নমুনা নিচ্ছি এবং তাদের আইসোলেশনও পাঠাচ্ছি। কিন্তু ততক্ষণে বিপদ যা ঘটার ঘটে গিয়েছে। জেনারেল বেডে অন্য রোগীর সংস্পর্শে চলে আসছেন তিনি।

এই প্রবণতা আটকাতে মানুষকে সতর্ক করে নিবেদিতা জানিয়েছেন, জ্বর বা অন্যান্য উপসর্গ গোপন করবেন না। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা করালে করোনা দূর করতে সময় লাগবে না।

তিনি বলেছেন, জ্বর বা শ্বাসকষ্টজনিত উপসর্গ দেখা দিলে দেরি করবেন না। তাতে নিজেরও ক্ষতি, সমাজেরও ক্ষতি।

নিউজটি শেয়ার করুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগীতায় :বাংলা থিমস| ক্রিয়েটিভ জোন আইটি