শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

বিজয়ের ৪৯ বছরে বিপ্লব ঘটেছে কৃষি খাতে

নিউজ ডেস্ক :: বিজয়ের ৪৯ বছরে রীতিমতো বিপ্লব ঘটে গেছে দেশের কৃষি খাতে। এক সময়ের খোরপোষের কৃষি আজ বাণিজ্যিক কৃষিতে পরিণত হয়েছে। খাদ্যশস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে দশম। জিডিপিতে অবদান প্রায় ১৪ শতাংশ। সাফল্যের পেছনে আছে গবেষণা এবং সরকারের সময়োপোযোগী সিদ্ধান্ত। কৃষিকে আরও এগিয়ে নিতে যান্ত্রিকীকরণের তাগিদ কৃষি অর্থনীতিবিদদের।

সব কিছুর মতো কৃষিতেও বৈষম্য। পূর্ব বাংলার পাট চলে যেতো পাকিস্তানে। বৈষম্যের প্রতিবাদে ফুসে ওঠে বাঙালি। বঙ্গবন্ধু দিলেন ৬ দফা। এই ৬ দফা হয়ে উঠলো বাঙালির প্রাণের দাবি।

মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে বিজয় ছিনিয়ে আনে বাংলার কৃষক-শ্রমিক, ছাত্র-জনতা।
জাতির পিতার নেতৃত্বে কৃষি বান্ধব নীতিতে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা। স্বাধীন দেশে বার বার বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় প্রকৃতি। বন্যা-খরায় ফসলহানি।

নতুন জাত উদ্ভাবন, কৃষি ঋণ, ভর্তুকি দেয়াসহ বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথেই আসে সাফল্য। বিজয়ের ৪৯ বছরে দেশের কৃষিখাতে ঘটে গেছে বিপ্লব। খাদ্যশস্য উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের স্থান দশম। সবজি উৎপাদনে তৃতীয় আর মাছে চতুর্থ।

জিডিপিতে কৃষির অবদান ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ। ধান উৎপাদনে উদ্বৃত্ত। ফল উৎপাদনও বেড়েছে। আম উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে সপ্তম এবং পেয়ারায় অষ্টম।

এ সাফল্যের পেছনে কাজ করেছে সারের দাম কমানোর পাশাপাশি সেচে ভর্তুকির সিদ্ধান্ত। উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বড় একটি অধ্যায় জুড়েই আছে কৃষিখাত।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. আসিফ রেজা অনিক বলেন, কৃষিখাতে যে গবেষণা তার একটি বড় ভূমিকা আছে গবেষণার সাথে সম্প্রসারণ এবং কৃষকদের কার্যকরী উদ্যোগ। পরিবেশের পরিবর্তনের সাথে সাথে টেকনোলজি, কৃষকদের উদ্যোগ এবং মার্কেট যুক্ত হয়েছে।

কৃষিকে আরও এগিয়ে নিতে যান্ত্রিকীকরণে নজর দেয়ার পরামর্শ কৃষি অর্থনীতিবিদদের।

কৃষি অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু সরকার উদারভাবে কৃষিখাতে সাহায্য-সহযোগিতা দিয়েছিলেন, ভর্তুকির পরিমাণ ৫০ শতাংশেরও বেশি ছিল, পানি সেচের জন্য যথেষ্ট সুযোগ-সুবিধা করেছিলেন এবং বাংলাদেশের কৃষি বিজ্ঞানীরা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে ফসলের নতুন জাত উদ্ভাবন করেছেন। জাত উদ্ভাবনের দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের স্থান প্রথমেই রয়েছে।


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: