রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
তৃণমূলের অভিষেকের ওপর হামলা, শার্ট ছিঁড়ে ডিম-জুতা নিক্ষেপ চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত নড়াইলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত রিকাবীবাজারে পুনঃ খাল খনন কার্যক্রম পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক শাহাদাত বার্ষিকীতে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী আজ লক্ষ্মীপুরে ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন কুরবানিতে ২২ থেকে ২৩ লাখ পশু অবিক্রীত ট্রাম্পের ১.৮ বিলিয়ন ডলারের তহবিল স্থগিত কাপুর পরিবারে আবার বিয়ের ঘণ্টাধ্বনি, পাত্রী কে

‘হর্ষ ভোগলের নাম শুনলেই মনে হয়, তিনি একজন…’

ভারতের খ্যাতিমান ধারাভাষ্যকার হর্ষ ভোগের সঙ্গে আরেক ধারাভাষ্যকার সঞ্জয় মাঞ্জেরকার সম্পর্ক মোটেও ভালো নয়। ধারাভাষ্যকার হিসেবে সবসময় বিতর্কিত নামটি সঞ্জয় মাঞ্জেরকার। তার বিভিন্ন মন্তব্য নিয়ে বারবার উত্তপ্ত হয়েছে ক্রিকেটাঙ্গন। শেষ পর্যন্ত কিছুদিন আগে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) ধারাভাষ্যকারদের তালিকা থেকেও বাদ পড়েছেন তিনি।

গত বছর নভেম্বরে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে বাংলাদেশ-ভারত ঐতিহাসিক গোলাপি বলের টেস্টে ধারাভাষ্য দেওয়ার সময় হর্ষ ভোগলের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন সঞ্জয়। অভিযোগ ওঠে, তিনি অপমান করেছেন ভোগলেকে। হর্ষ ভোগলে বলেছিলেন, গোলাপি বল দেখতে সমস্যা হচ্ছে কি না, তা জিজ্ঞাসা করে দেখা দরকার ক্রিকেটারদের। মাঞ্জেরকার বলে ওঠেন, ‘আপনাদের উচিত, বল দেখা যাচ্ছে কি না তা হর্ষকে জিজ্ঞাসা করা। আমরা যারা একটু-আধটু ক্রিকেট খেলেছি, তাদের জিজ্ঞাসা করার দরকার নেই। এটা তো পরিষ্কার যে বল দেখতে কোনও সমস্যা হচ্ছে না।’

ওই ঘটনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রবল সমালোচিত হতে হয়েছিল মাঞ্জেরকারকে। বর্তমানে বোর্ডের চাকরি গেলেও সঞ্জয় সোশ্যাল সাইটে সক্রিয় আছেন। লকডাউনে চলছে বিভিন্ন জনের সঙ্গে চ্যাটিং। এমনই এক চ্যাটিংয়ে সঞ্জয়কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, হর্ষ ভোগলের নাম শুনলেই তার কী মনে হয়। জবাবে মাঞ্জেরকার বলেন, ‘ভারতের সেরা ধারাভাষ্যকার।’ তার এই মন্তব্যও সাড়া ফেলেছে সোশ্যাল সাইটে। আবার অনেকে সন্দেহ করছেন যে, সঞ্জয় কি এই কথাটা মন থেকে বলেছেন?


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: