বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২, ১২:৪৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম
২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে বিহ্মোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় দেশে পরিবেশ বান্ধব কৃষি ও শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের আহবান বোপমা সভাপতির হাতীবান্ধায় প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ মামলার মূল আসামী শাহিন গ্রেফতার সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে বরিশালে আ.লীগের বিক্ষোভ মিছিল খেলাপি বৃদ্ধির শীর্ষে ২০ ব্যাংক বিমানবন্দরে ভক্তদের উদ্দেশ্যে যা বললেন শাকিব খান বরিশাল শেবাচিমে অধ্যক্ষের কার্যালয় ঘেরাও করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ তেলের দাম বাড়ায় ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিচ্ছেন: বাণিজ্যমন্ত্রী বামদের হরতালে বিএনপির সমর্থন বিশ্ববাজারে তেলের দাম ছয় মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন

নোয়াখালীতে ঘূর্ণিঝড় আম্পান মোকাবিলায় প্রস্তুত ৩৬৪টি আশ্রয়কেন্দ্র

 মুজাহিদুল ইসলাম সোহেল,নোয়াখালী প্রতিনিধি : বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় আম্পান মোকাবিলায় নোয়াখালীতে ব্যাপক প্রস্তুতি গহণ করা হয়েছে। নোয়াখালী জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি প্রস্তুত রয়েছে বিভিন্ন সংস্থা।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে প্রস্তুতির বিষয়টি নিশ্চিত করেন, নোয়াখালী অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইশরাত সাদমিন মিল্কি।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় আম্পান মোকাবিলায় জেলার হাতিয়া, সুবর্ণচর, কোম্পানীগঞ্জ, কবিরহাট উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চলের ৩৬৪টি আশ্রয়কেন্দ্র, রেডক্রিসেন্ট কর্মীসহ ১২ হাজার স্বেচ্ছাসেবক, শুকনা খাবার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় রবিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয় সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস জানান, জরুরি অবস্থা মোকাবিলার জন্য উপকূলীয় এলাকার সাইক্লোন সেন্টার ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর চাবি স্থানীয় প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেওয়া হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডকে উপকূলীয় অঞ্চলের বেড়িবাঁধগুলো দেখভাল করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উপকূলীয় এলাকার করোনা আক্রান্ত রোগী এবং লকডাউনকৃত বাড়ির লোকজনকে নিকটবর্তী আইসোলেশন কেন্দ্রে নেওয়া হবে। আশ্রয়ন কেন্দ্রে তাদের জন্য বিশেষ কক্ষের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ৪ নম্বর সতর্ক সংকেত চলছে, এ সংকেত ৭নং সতর্ক সংকেতে উঠলে মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হবে। এছাড়া গবাদি পশুর জন্য ৬৫টি মুজিব কিল্লা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উপকূলীয় ৩ উপজেলায় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। সোমবার সকাল থেকে উপকূলীয় এলাকায় সচেতনতামূলক মাইকিং চলছে।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজাউল করিম বলেন, ঘূণিঝড় আম্পান এর প্রভাবে মেঘনা নদীতে অস্বাভাবিক উঁচু ঢেউ সৃষ্টি হয়েছে। যার কারণে সকল প্রকার নৌযান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। ৪ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল থাকায় উপজেলার ২১০টি সাইক্লোন সেন্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুর্যগ মোকাবেলা প্রস্তুত কমিটির ১৮৮টি ইউনিটকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উপজেলার সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা নিঝুমদ্বীপে এলাকাবাসীকে ঘূর্ণিঝড় আম্পান সম্পর্কে সচেতন করে মাইকিং করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগীতায় :বাংলা থিমস| ক্রিয়েটিভ জোন আইটি