মঙ্গলবার, ০৯ Jun ২০২৬, ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
বটগাছের ছায়ায় ২০০ বছরের রতডাঙ্গা হাট নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ এ কৃতিত্ব অর্জনকারী খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা দিলেন মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক লক্ষ্মীপুরে খাল খননের মাটি দিয়ে তৈরি হচ্ছে রাস্তা, স্বস্তিতে হাজারো কৃষক নড়াইলে ডিজিটাল নিরাপত্তা ও ফ্যাক্ট চেকিংয়ে তরুণদের প্রশিক্ষণ ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার মধ্যে সাহসিকতা রয়েছে: ট্রাম্প বাজেট অধিবেশন শুরু, বাজেট প্রস্তাব ১১ জুন নড়াইলে বজ্রপাতে মৃত্যু ২ কালিগঞ্জে মাদকবিরোধী মানববন্ধন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি চৌদ্দগ্রাম নবাগত ইউএনও কে শুভেচ্ছা জানান উপজেলা ও পৌরসভা শ্রমিকদলের নেতৃত্ববৃন্দ দৌলতপুরে আলোচিত জোড়া হত্যা মামলার পলাতক আসামি সবুজ গ্রেপ্তার

নোয়াখালীতে ঘূর্ণিঝড় আম্পান মোকাবিলায় প্রস্তুত ৩৬৪টি আশ্রয়কেন্দ্র

 মুজাহিদুল ইসলাম সোহেল,নোয়াখালী প্রতিনিধি : বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় আম্পান মোকাবিলায় নোয়াখালীতে ব্যাপক প্রস্তুতি গহণ করা হয়েছে। নোয়াখালী জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি প্রস্তুত রয়েছে বিভিন্ন সংস্থা।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে প্রস্তুতির বিষয়টি নিশ্চিত করেন, নোয়াখালী অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইশরাত সাদমিন মিল্কি।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় আম্পান মোকাবিলায় জেলার হাতিয়া, সুবর্ণচর, কোম্পানীগঞ্জ, কবিরহাট উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চলের ৩৬৪টি আশ্রয়কেন্দ্র, রেডক্রিসেন্ট কর্মীসহ ১২ হাজার স্বেচ্ছাসেবক, শুকনা খাবার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় রবিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয় সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস জানান, জরুরি অবস্থা মোকাবিলার জন্য উপকূলীয় এলাকার সাইক্লোন সেন্টার ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর চাবি স্থানীয় প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেওয়া হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডকে উপকূলীয় অঞ্চলের বেড়িবাঁধগুলো দেখভাল করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উপকূলীয় এলাকার করোনা আক্রান্ত রোগী এবং লকডাউনকৃত বাড়ির লোকজনকে নিকটবর্তী আইসোলেশন কেন্দ্রে নেওয়া হবে। আশ্রয়ন কেন্দ্রে তাদের জন্য বিশেষ কক্ষের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ৪ নম্বর সতর্ক সংকেত চলছে, এ সংকেত ৭নং সতর্ক সংকেতে উঠলে মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হবে। এছাড়া গবাদি পশুর জন্য ৬৫টি মুজিব কিল্লা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উপকূলীয় ৩ উপজেলায় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। সোমবার সকাল থেকে উপকূলীয় এলাকায় সচেতনতামূলক মাইকিং চলছে।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজাউল করিম বলেন, ঘূণিঝড় আম্পান এর প্রভাবে মেঘনা নদীতে অস্বাভাবিক উঁচু ঢেউ সৃষ্টি হয়েছে। যার কারণে সকল প্রকার নৌযান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। ৪ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল থাকায় উপজেলার ২১০টি সাইক্লোন সেন্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুর্যগ মোকাবেলা প্রস্তুত কমিটির ১৮৮টি ইউনিটকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উপজেলার সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা নিঝুমদ্বীপে এলাকাবাসীকে ঘূর্ণিঝড় আম্পান সম্পর্কে সচেতন করে মাইকিং করা হয়েছে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: