জানা যায়, জননেতা আব্দুর রউফ তালুকদার বকশিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ এর ৪ বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও যিনি সম্ভাব্য প্রার্থী। ইতোমধ্যে তাঁর ভক্ত অনুরাগীরা প্রাথমিক ভাবে গণসংযোগ শুরু করে দিয়েছেন।
হাটে ঘাটে, মাঠে ময়দানে, অবসরে আড্ডায়, বাজারে চায়ের দোকানে তাঁকে ঘিরে চলছে আলোচনা ও সম্ভাবনার কথা।
বকশিগঞ্জ উপজেলার নিলক্ষিয়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ হাবিবুর রহমান হবি (৭৫) বলেন, বকশিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন মানেই রউফ তালুকদার। তাকে ছাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন জনগণ ভাবতে পারে না। তিনি কোন দলের বা দলের নয় এটা ভোটারদের কাছে কোনো ব্যাপার নয়। রউফ তালুকদার মানেই দল। রউফ তালুকদার মানেই ব্র্যাণ্ড। রউফ তালুকদার মানেই নির্বাচন। রউফ তালুকদার মানেই উৎসব। উপজেলা পরিষদ নির্বাচন এলে বকশিগঞ্জের ভোটাররা রউফ তালুকদারকে ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে থাকে। দিন গুনতে থাকে। কেউ কেউ রউফ তালুকদারের জন্য দোয়া করতে থাকে। কেউ রাখে রোজা। মন্দিরে মন্দিরে চলে প্রার্থণা।
বকশিগঞ্জ হিন্দু কল্যাণ সমিতির সভাপতি রমেশ চন্দ্র কর্মকার ( ৮০) বলেন, রউফ তালুকদার একটি আস্থা ও বিশ্বাসের নাম। বকশিগঞ্জবাসীর মাঝে রউফ তালুকদারকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কিছু নেই। বকশিগঞ্জে রউফ তালুকদার নিজেকে ছড়িয়েছেন বটবৃক্ষের ন্যায়। প্রতিষ্ঠিত বকশিগঞ্জের দুঃখী দরিদ্র ও বিপদগ্রস্ত মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে। তিনিই একমাত্র নেতা যিনি ৪০ বছরের রাজনীতি ও ২০ বছরের জনপ্রতিনিধিত্বে একটি বাড়ি নির্মাণ করতে পারেননি। বরং ৪০ বছর জনগণের সেবা করতে গিয়ে কমপক্ষে ১০ কোটি টাকার পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করেছেন।
অতএব, বকশিগঞ্জের জনপ্রতিনিধিত্বে তিনি এক জীবন্ত কিংবদন্তি। তিনি যতদিন বেঁচে আছেন নির্বাচনে তাকে হারাবার মতো আর কেউ নেই। তার সাথে যারাই লড়েছেন তারাই হেরেছেন। তিনি অপ্রতিরোধ্য অপরাজিত। তার তুলনা কারও সাথে হয় না।
যাঁকে নিয়ে এতো কথা সেই তিনি নিজেকে দেখেন কিভাবে? জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি একজন অতি সাধারণ মানুষ। আমার মধ্যে মানুষকে দেবার মতো কিছু নেই। বরং বকশিগঞ্জবাসী আমাকে দিয়েছে অনেক। আমি তাদের কাছে ঋণী। তারা আমাকে যে সম্মান ও ভালোবাসা দিয়েছেন তাদের এ ঋণ আমি শোধ করতে পারব না।