সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মমতাজুর রহমানের ইন্তেকাল ড্রাগন চাষে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন আনিস কাশিয়ানীতে পাউরুটি কিনতে গিয়ে দুই শিশু ধর্ষণচেষ্টার শিকার, অভিযুক্ত পলাতক লক্ষ্মীপুরে দুস্থ-অসহায়দের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ চৌদ্দগ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বাদীকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি, থানায় অভিযোগ বাংলাদেশের হারে ফাইনালের পথ সহজ হলো ভারতের ইউক্রেনকে ৯২০ কোটি ডলার দিচ্ছে নরওয়ে এনএসআইয়ের পরিচালক হলেন পুলিশের ২ ডিআইজি খালেদা জিয়ার সাজে অভিনেত্রী চমক, যা বলছেন নেটিজেনরা ইরানি হ্যাকারদের সাইবার হামলা: ৪ দিন বন্ধ ছিল যুক্তরাজ্যের বিদ্যুৎকেন্দ্র

শেখ হাসিনার মামলায় নাহিদ ইসলামের অবশিষ্ট জেরা আজ

জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দেওয়া সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের অবশিষ্ট জেরা আজ।

রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ জেরা হওয়ার কথা রয়েছে।

নাহিদ ইসলামকে জেরা করবেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন।

এর আগে, ১৮ সেপ্টেম্বর তিনি ৪৭ নম্বর সাক্ষী হিসেবে দ্বিতীয় দিনের মতো ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন। দুপুরে সাক্ষ্যগ্রহণের পর বিরতি দেওয়া হয় এবং বিকেল ৪টা পর্যন্ত তাকে স্টেট ডিফেন্সের পক্ষ থেকে জেরা করা হয়। জেরা শেষ না হওয়ায় তা পরবর্তী কার্যদিবসে মুলতবি করা হয়।

প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন মিজানুল ইসলাম ও গাজী এমএইচ তামিম, সহকারী প্রসিকিউটর সহিদুল ইসলাম, আবদুস সাত্তার পালোয়ান ও মামুনুর রশীদসহ অন্যরা।

এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের ১৮ কার্যদিবসে মোট ৪৭ জন সাক্ষী জেরা দিয়েছেন। ২ সেপ্টেম্বর সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, যিনি শেখ হাসিনার মামলার অন্যতম আসামি থেকে রাজসাক্ষী হয়েছেন, ৩৬ নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন। তিনি জানিয়েছেন, জুলাই-আগস্টে গণহত্যা চালানোর নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা ও কামাল।

গত ১০ জুলাই ট্রাইব্যুনাল আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে মামলাটি শুরু করে। মামলায় পাঁচটি মানবতাবিরোধী অভিযোগ আনা হয়েছে, যা মোট ৮,৭৪৭ পৃষ্ঠার। এর মধ্যে তথ্যসূত্র দুই হাজার ১৮ পৃষ্ঠা, জব্দকৃত প্রমাণাদি চার হাজার পাঁচ পৃষ্ঠা এবং শহীদদের তালিকা দুই হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠার। সাক্ষী হিসেবে রয়েছেন ৮১ জন।

প্রসিকিউশন সূত্র জানিয়েছে, তদন্ত কর্মকর্তা ছাড়া আর বেশি সাক্ষ্যগ্রহণ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। সাক্ষীদের জবানবন্দিতে গত বছরের জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে হত্যাযজ্ঞের বীভৎস চিত্র উঠে এসেছে এবং শহীদ পরিবারের সদস্য ও প্রত্যক্ষদর্শীরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: