বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন
আলতা পায়ে আলতো চেপে ঢেঁকির ঢোকর
তুলে, ঘোমটা টেনে নথ নেড়ে বারা বানো।
চাল ভেঙে ভেঙে সাদা গুঁড়ি, অস্পরার দ্যুতি
ছড়িয়ে, পৌষের নাতিশীতল গ্রাম-গ্রামান্তরে,
পিঠা পুলির সাড়ম্বর মিলন, স্মৃতহাস্য বদনে
নবজাগরণ বয়ে আনে। দিগবিদিক নবান্নের ধুম
পড়ে যায়। অলস প্রভাতে কুয়াশার বিলি কেটে
তুমি মুড়ি-মোয়ার সমাহারে নিমজ্জিত হয়ো কোন
এক পৌষের পড়ন্ত বিকেলে। ধুসর বসন ধুসর
কুয়াশায় সমর্পিত করো, রঙিন বুননে বুননে ভরে
উঠুক পৌষের দুপুরের প্রতিটি প্রহর। মিষ্টি বিকেলে
খেজুরের রসের পায়েশ, মন ভোলানো শিন্নির
মৌ মৌ ঘ্রাণ নিয়ে তুমি এসো কোন সন্ধ্যায়।
হয়তো ঈষৎ শীতল পবন তোমায় সাধবে বাধ,
তবুও তুমি এসো জোছনা অবগাহনে। এই
পৌষের সাঁঝে ভাপা পিঠার বুকচিরে ওঠা মিষ্টি
ধোঁয়া, খেঁজুর গুড়ের ঘ্রাণ তোমােেক করবে ব্যাকুল,
তবুও তুমি থেমে যেওনা, এ-সো। পৌষের জোৎস্না
তোমাকে আলিঙ্গন করে মাঘের গহ্বরে এগিয়ে দেবে।
এভাবেই কাল থেকে কালান্তরে বয়ে যাবে তুমি,
আমি আর সে, এবং সাথে যাবে কোন এক পৌষ।
কালের সাক্ষি মহাকালে পৌঁছে যাবে পৌষের
ঢেঁকিতে রুপসী বধুর অবিরাম দ্যোতনা ।