শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
ঢাকাস্থ সোনাগাজী সমিতির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বরিশালের উজিরপুরে জামবাড়ী সেবাশ্রমে ১১তম বৈষ্ণব ও শিষ্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে এক কেজি আলুর দামে মেলে না এক কাপ চা, লোকসানে আলুচাষিরা সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় মহিলা দল নেত্রী হাছিনা শওকত মুন্সীগঞ্জে রেলপথের রেলিং চুরির সময় পিকআপসহ ৩ জন গ্রেপ্তার সিলেট নগরীতে হঠাৎ করে বেড়েছে মশার উপদ্রব, সিসিকের নেই কোন ভূমিকা নীলফামারীতে সরকারী খাস জমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ, বন্ধের পর আবারও কাজ শুরু শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড় ও তীব্র বজ্রপাতের আশঙ্কা সিডনিতে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সম্মাননা নিজেদের তদন্তেই উঠে আসছে মার্কিন সামরিক বাহিনীই দায়ী

নীলফামারীতে সরকারী খাস জমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ, বন্ধের পর আবারও কাজ শুরু

নীলফামারী প্রতিনিধি :
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় সরকারি খাস জমিতে বহুতল ভবনের ফ্লাট বাড়ি নির্মাণের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় মতিয়ার রহমান নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। তিনি উপজেলার বাহাগিলী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড নয়নখাল বৈদ্ধপাড়া এলাকার নেজাম উদ্দিনের ছেলে। বিষয়টি স্থানীয় ভূমি কর্মকর্তার জানা থাকলেও রহস্যজনকভাবে কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মতিয়ার রহমান সরকারি মালিকানাধীন খাস জমি দখল করে সেখানে তিনতলা ভবন নির্মাণের কাজ অনেকদিন ধরেই করছিলেন। বিষয়টি জানাজানি হলে বাহাগিলী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা (তহসিলদার) শহিদুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন। তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ, নির্মাণ কাজ বন্ধ করার পরদিন থেকেই আবারও ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয় কিভাবে?

স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসনের নীরবতার সুযোগে খাস জমিতে অবাধে ভবন নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন মতিয়ার রহমান। যদিও সরকারী খাস জমিতে ব্যক্তিগতভাবে স্থাপনা নির্মাণ সম্পূর্ণ বেআইনি। সেইসাথে খাস জমিতে ভবন নির্মাণের কাজ বন্ধ করার পরও কীভাবে আবার শুরু হলো তা খতিয়ে দেখা উচিত।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাহাগিলী ইউনিয়নের তহসিলদার শহিদুল ইসলাম বলেন, “খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়ি নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেই। তারা খাস জমিটি কবুলিয়ত নেওয়ার জন্য আবেদন করেছে।” তবে ওই জমির খাস দাগ ও খতিয়ান চাইলে কোন তথ্যই দিতে রাজি হয়নি ওই কর্মকর্তা।”

এরই পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা ভূমি অফিসে খোঁজ নিয়ে ওই আবেদনের কোন নথি পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা ভূমি অফিসের উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা (অফিস সুপার) মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, “মতিয়ার রহমানের পক্ষ থেকে খাস জমি কবুলিয়তের জন্য কোনো আবেদন এখনো উপজেলা ভূমি অফিসে জমা পড়েনি।” খাস জমিতে পাকা তিনতলা ভবন নির্মাণ পুরোটাই অবৈধ।

কিশোরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া বলেন, খাস জমিতে ভবণ নির্মাণের ঘটনা জানা ছিল না। সরেজমিনে গিয়ে দেখে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: