সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০১ অপরাহ্ন

শিরোনাম
রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মমতাজুর রহমানের ইন্তেকাল ড্রাগন চাষে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন আনিস কাশিয়ানীতে পাউরুটি কিনতে গিয়ে দুই শিশু ধর্ষণচেষ্টার শিকার, অভিযুক্ত পলাতক লক্ষ্মীপুরে দুস্থ-অসহায়দের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ চৌদ্দগ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বাদীকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি, থানায় অভিযোগ বাংলাদেশের হারে ফাইনালের পথ সহজ হলো ভারতের ইউক্রেনকে ৯২০ কোটি ডলার দিচ্ছে নরওয়ে এনএসআইয়ের পরিচালক হলেন পুলিশের ২ ডিআইজি খালেদা জিয়ার সাজে অভিনেত্রী চমক, যা বলছেন নেটিজেনরা ইরানি হ্যাকারদের সাইবার হামলা: ৪ দিন বন্ধ ছিল যুক্তরাজ্যের বিদ্যুৎকেন্দ্র

ফুলবাড়ীতে সর্দি, জ্বর ও ডায়েরিয়ার প্রাদুর্ভাবে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেড়েছে রোগীর চাপ

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে জ্বর, সর্দি, পেটের ব্যথাসহ ডায়রিয়া রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগ, অন্তর্বিভাগ ও বহির্বিভাগে রোগীর চাপ বেড়েছে। আগত রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের।

সরেজমিনে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, জরুরি বিভাগে রোগীদের চিকিৎসা দিতে ব্যস্ত চিকিৎসকসহ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসাররা (সেকমোরা)। অন্তর্বিভাগের রোগীদের ওষুধপত্র দিচ্ছেন সেবিকারা। সবচেয়ে বেশি চাপ সামলাতে হচ্ছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নতুন ভবনের বহির্বিভাগের চিকিৎসকদের।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা উপজেলার বারাইপাড়া গড়পিংলাই গ্রামের রোজিফা খাতুন (৪৫) নামের এক রোগী বলেন, গত সপ্তাহে পাতলা পায়খানা শুরুর পর হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নিয়ে এখন ভালো আছেন। শরীরে জ্বর জ্বর ভাব থাকায় ডাক্তারের অপেক্ষায় রয়েছেন। বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের টিকিট প্রদানকারী কর্মচারী মো. আবুজার বলেন, বর্তমানে রোগীদের চাপ বেড়েছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট সবার কাজও বেড়ে গেছে।

বহির্বিভাগের চিকিৎসা কার্যক্রম সম্পর্কে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. মো. নূর ই আলম খুশরোজ আহমেদ আনন্দ বলেন, বর্তমানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত রোগী আসছেন। তবে সবচেয়ে বেশি রোগী আসছেন সর্দি, জ্বর, পেট ব্যথা ও ডায়রিয়া নিয়ে। তাদের মধ্যে যাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার প্রয়োজন, তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু গুরুতর অসুস্থ রোগীদের অন্তবিভাগে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দুই-এক দিনের মধ্যেই অধিকাংশ রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরতে পারছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মশিউর রহমান বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ফুলবাড়ী উপজেলা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, পার্বতীপুর ও চিরিরবন্দর উপজেলার কিছু অংশের রোগীরাও এখানে চিকিৎসা নিতে আসছেন। অন্য উপজেলার রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হলেও এখানকার ওষুধসহ সার্বিক বিষয়ের বরাদ্দ বাড়েনি। এতে প্রায়ই ওষুধ সংকটে পড়তে হচ্ছে। ৫০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন রোগী থাকছে ৭০ থেকে ৮০ জন। কিন্তু রোগীর খাদ্যসহ অন্যান্য বরাদ্দ রয়েছে ৫০ জনেরই। এরপরও ৫০ জনের বরাদ্দ থেকেই বাড়তি রোগীতের চিকিৎসাসেবাসহ সার্বিক বিষয়গুলো ব্যবস্থা করা হচ্ছে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: