বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫২ অপরাহ্ন

শিরোনাম
ফুলবাড়ীর প্রধান সড়কের পার্শ্বে পণ্য রেখে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীকে অর্থদন্ড চৌদ্দগ্রামে নারী উদ্যোক্তা প্রমি হত্যার বিচার দাবীতে ছাত্র-জনতার মানববন্ধন ৪৭ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ, ১০ম বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড এবং ১০ম বিজ্ঞান কুইজ প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন আঁখিরা গণহত্যা দিবস আজ: ফুলবাড়ীতে ১৯৭১-এর বর্বর হত্যাযজ্ঞে দেড় শতাধিক প্রাণহানি মুন্সীগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত ফের নতুন আলোচনায় রণবীর সিং ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে হিজবুল্লাহর রকেট হামলা নিলামে আরও ৫০ মিলিয়ন ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক গণভোটের রায় বাস্তবায়নে জামায়াতসহ ১১ দলের ১৫ দিনের কর্মসূচি পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

ঋত্বিক ঘটকের জন্মদিন আজ

নিউজ ডেস্ক :: ভারতীয় উপমহাদেশের কিংবদন্তী চলচ্চিত্র পরিচালক ঋত্বিক ঘটকের জন্মদিন আজ। তিনি ১৯২৫ সালের ৪ ডিসেম্বর ঢাকার ঋষিকেশ দাশ লেনে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন একাধারে অভিনেতা, নাট্যকার ও নির্দেশক।

১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর পরিবারের সঙ্গে তিনি ভারতের পশ্চিম বঙ্গের কলকাতায় চলে যান। তবে জন্মভূমি ত্যাগ করে শরণার্থী হওয়ার মর্মবেদনা ঋত্বিক কোনোদিন ভুলতে পারেননি। আমৃত্যু এই যন্ত্রণা বয়ে বেরিয়েছেন। এই বেদনারই ছাপ পড়েছে তার সৃষ্টিতে। জীবনকালে ঋত্বিক ঘটক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন ৮টি।

ঋত্বিক ঘটকের প্রথম সিনেমা ‘নাগরিক’। এটি নির্মাণের পাঁচ বছর পর ১৯৫৭ সালে ঋত্বিক ঘটক নির্মাণ করেন তার দ্বিতীয় সিনেমা ‘অযান্ত্রিক’। এটি মুক্তি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চমকে যায় চলচ্চিত্র বোদ্ধা আর দর্শকেরা। সফল চলচ্চিত্রকার হিসেবে তিনি খ্যাতি লাভ করেন।

ঋত্বিক ১৯৫১ সালে ভারতীয় গণনাট্য সংঘে যোগ দেন। এ সময় তিনি বেশ কিছু নাটক লেখেন, অভিনয় করেন ও নির্দেশনা দেন। ‘অযান্ত্রিক’-এর পর ঋত্বিক নির্মাণ করেন ‘মেঘে ঢাকা তারা’ (১৯৬০) ‘কোমল গান্ধার’ (১৯৬১) ও ‘সুবর্ণরেখা’ (১৯৬৫)। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে এসে নির্মাণ করেন তার বিখ্যাত চলচ্চিত্র ‘তিতাস একটি নদীর নাম’। এটি বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হয়। অদ্বৈত মল্লবর্মণের ধ্রুপদী উপন্যাস থেকে নেয়া এ সিনেমাটি পেয়েছিল ব্যাপক প্রশংসা। এরপর ১৯৭৪ সালে মুক্তি পায় ঋত্বিকের শেষ সিনেমা ‘যুক্তিতক্ক আর গপ্পো’।

এছাড়াও ঋত্বিক ঘটক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, তথ্যচিত্র এবং প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করেছিলেন ১০টি। আরও অনেকগুলো কাহিনীচিত্র, তথ্যচিত্রের কাজে হাত দিয়েও শেষ করতে পারেননি। ঋত্বিক ঘটক তার সৃষ্টির মাধ্যমেই বিশ্বের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রকারদের কাতারে নিজের স্থান করে নিয়েছেন।

এরপরই ঋত্বিক ঘটক মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। প্রায় তিন বছর মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এরপর তিনি ১৯৭৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি মাত্র ৫০ বছর বয়সে মারা যান।

১৯৬৯ সালে ভারত সরকার তাকে পদ্মশ্রী উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৭৫ সালে ‘যুক্তি তক্কো আর গপ্পো’ চলচ্চিত্রের শ্রেষ্ঠ কাহিনীর জন্য ভারতের জাতীয় পুরস্কার লাভ করেন তিনি।

 


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: