বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
শিবালয় মডেল ইউনিয়নে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি ও আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত সর্বাধিক সংশোধন আবেদন নিষ্পত্তি: সম্মাননা পেলেন লক্ষ্মীপুর সদর ইউএনও ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা ১০ অক্টোবর ঢাকায় ‘রিয়েল এস্টেট কানেক্ট বাংলাদেশ’, চলছে নিবন্ধন সবকিছুর বাজেট আছে, মিডিয়ার জন্য কেন শুধু ‘ফ্রি’: এম এম শাহীন সাতক্ষীরায় শিশু অধিকার দিবস পালিত, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান চৌদ্দগ্রামে দুর্নীতি প্রতিরোধ সেমিনার ও সততা স্টোর উদ্বোধন কালিয়াকৈরে প্রেমিকের বাসায় তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু, ধর্ষণ-হত্যা মামলায় প্রেমিক গ্রেপ্তার ইতালির প্রলোভনে লিবিয়ায় পাচার, ‘বিশু গ্যাংয়ের’ আরও এক সদস্য গ্রেপ্তার শ্রেয়াসের প্রথম সেঞ্চুরি, ৩২ বল হাতে রেখেই জয় ভারতের নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাস, দিনে ৫০-৭০ লাখ ঘনফুট উত্তোলনের আশা

নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান, প্রতিদিন মিলতে পারে ৭০ লাখ ঘনফুট

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের জ্বালানি খাতের জন্য একটি আশাব্যঞ্জক খবর হিসেবে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় নতুন একটি গ্যাসের কূপের সন্ধান পাওয়া গেছে। উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের বড় চারিগাঁও গ্রামে অবস্থিত সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপে এই গ্যাসের সন্ধান মেলে। রাষ্ট্রীয় জ্বালানি খাতের প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড বা বাপেক্স এই কূপ খনন ও অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করে। দেশের চলমান গ্যাস সংকট নিরসনে নতুন এই আবিষ্কার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।

বাপেক্স সূত্রে জানা গেছে, আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে গত জুলাই মাসের শেষ দিক থেকে এই কূপটির খননকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। ডিরেকশনাল ওয়েল পদ্ধতিতে এবং এমডব্লিউডি বা মেজারমেন্ট হোয়াইল ড্রিলিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে কূপটির মূল খননকাজ সম্পন্ন করা হয়। প্রকৌশলীরা প্রায় ১ হাজার ৫৭৮ মিটার গভীর পর্যন্ত ড্রিলিং পরিচালনা করেন এবং এর মধ্যে ১ হাজার ৪২০ থেকে ১ হাজার ৪৬০ মিটার গভীরতার নির্ধারিত স্তরে গ্যাসের অস্তিত্ব নিশ্চিত করা হয়।

প্রাথমিক প্রাক্কলন অনুযায়ী, এই নতুন কূপটি থেকে প্রতিদিন প্রায় ৭০ লাখ ঘনফুট বা ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে। উত্তোলিত এই গ্যাস পরবর্তীতে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে, যা স্থানীয় শিল্পকারখানা ও গৃহস্থালির জ্বালানি চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে। তবে কূপটিতে গ্যাসের মোট মজুত এবং দীর্ঘমেয়াদী উত্তোলনযোগ্য পরিমাণ কত হতে পারে, তা জানতে আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।

বর্তমানে কূপটিতে ড্রিল স্টেম টেস্ট বা ডিএসটি নামক পরীক্ষামূলক পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রকল্পের পরিচালক মো. মোজাম্মেল হক গণমাধ্যমকে জানান যে, কূপে গ্যাস পাওয়ার বিষয়টি পুরোপুরি নিশ্চিত করা হয়েছে এবং আগামী কয়েক দিন এই পরীক্ষা চলবে। পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পরই সুন্দলপুর-৪ কূপে ঠিক কী পরিমাণ গ্যাসের মজুত রয়েছে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য জানা সম্ভব হবে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: