শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম
কুলাউড়ায় রেলওয়ের পরিত্যক্ত ভবন ও হাজার একর জমি অবৈধ দখলে চৌদ্দগ্রামে বেতনভাতা বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ লোহাগড়ায় মতবিনিময় সভা ও পৌর শাখা কমিটি গঠন দেশসেরা স্প্রিন্টার জাকির হোসেনকে জামায়াতের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জ্ঞাপন ভারতে বসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতে পারবেন না শেখ হাসিনা শ্রাবণে উপবাস ভাঙুন পুষ্টিকর শুকনো ফলের লাড্ডুতে, রইল সহজ রেসিপি সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোটে যুক্ত হলো বাংলাদেশ প্রশাসককে সঙ্গে নিয়ে রাতে রাজধানী পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী ইউরেনাসের চাঁদ এরিয়েলে ছিল ১৬০ কিলোমিটার গভীর মহাসাগর: গবেষণা সাতক্ষীরায় মাছরাঙা টেলিভিশনের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

তপ্তদেহ শীতল করতো গাছের নিচে বসেই, গাছ না থাকায় এত গরম

সুমন মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার : দেশের বিভিন্ন স্থানের ন্যায় জামালপুর জেলাতেও তাপদাহ চলছে। গত ২৪ ঘন্টায় জামালপুর জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। প্রচন্ড গরমে জেলার সর্বত্র জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। বৃদ্ধ ও শিশুরা প্রচন্ড গরম সহ্য না করতে পেরে অসুস্থ হয়ে পরছে।

শনিবার (২০ এপ্রিল) জামালপুর শহরের বিভিন্ন এলাকায় ও সড়কে ঘুরে দেখা গেছে, প্রচন্ড গরমের কারণে মানুষের যাতায়াত কমে গেছে। ভ্যাপসা গরমে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষেরা পড়েছেন বিপাকে। পরিবারের কথা চিন্তা করে এই গরমের মধ্যেই কাজে যেতে বাসাবাড়ির বাইরে বের হতে হচ্ছে তাদেরকে। আবার যারা দিনমজুরের কাজ করেন তাদের কষ্টের সীমা নেই। রিকশা, অটোরিকশা চালকদের ঘর থেকে বের হয়ে শহরে জনশূন্য দেখে মাথায় হাত দিয়ে গাছের নিচে ছায়ায় বসে থাকতেও দেখা গেছে। প্রচন্ড গরমের মধ্যে অনেকেই রাস্তার ধারে ঠান্ডা শরবত ও আখের রস পান করতে দেখা গেছে। ডাবের দাম সাধ্যের মধ্যে না থাকলেও অনেকেই ডাবের পানি পান করে তৃষ্ণা মেটাচ্ছে।

সাধারণ পথচারীরা বলেন, শহরে কোন গাছ নাই। শুধু বিল্ডিং আর বিল্ডিং। আগে শহরে রাস্তার দুই পাশেই বিভিন্ন ফলজ গাছ ছিল প্রচন্ড গরমেও বসে আরাম করতে পারতাম, ফল পাইরাও খাইতাম।

সিংহজানী হাইস্কুল রোডের পারুল অফসেট প্রেসের কর্মচারী জুয়েল রানা বলেন, প্রচন্ড গরমের কারণে কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে। রাতে বাসায় ঠিকমত ঘুমানো যাচ্ছে না। প্রচন্ড গরমে কাজ করতে না পারায় পরিবার নিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। মাঝেমধ্যে অসুস্থবোধ করছি।

রিক্সাচালক আবুল হোসেন বলেন, সকালে রিক্সা নিয়ে বের হয়েছি। কিন্তু এখনও তেমন কামাই-রোজগার করতে পারিনি। গরমের কারণে কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। শহরে গাছ নাই, পুকুর নাই যে বসে আরাম করবো। আগে শহরে প্রচুর গাছ, পুকুর ছিল। বসে আরাম করতে পারতাম।

জামালপুর পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সভাপতি জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, আগে শহরে প্রচুর গাছ ছিল, পুকুর ছিল। সাধারণ মানুষ গাছের ছায়ায় বসে তপ্তদেহ শীতল করতো। এখন গাছ না থাকার কারনেই এত গরম লাগে। ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায়ও মানুষের সমস্যা হওয়ার কথা না। কিন্তু গাছ, নদী, পুকুর না থাকায় শহরে এত গরম বলে আমি মনে করি।

জামালপুর আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মনজুরুল কাদির জানান, গত কয়েকদিন ধরেই দিনের তাপমাত্রা বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জামালপুর জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে বলে জানান তিনি।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: