বৃহস্পতিবার, ২৫ Jun ২০২৬, ০২:৩৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম
নকআউটের লড়াইয়ে ইকুয়েডরের সামনে জার্মানি ভেনেজুয়েলাকে সাহায্য করতে ‘প্রস্তুত, ইচ্ছুক এবং সক্ষম’: ট্রাম্প হজ শেষে এপর্যন্ত দেশে ফিরেছেন ৬৪ হাজারের বেশি বাংলাদেশি হাজী বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত গোপালগঞ্জে বিএনপি’র বিশাল বিক্ষোভ-সমাবেশ: মাদক, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য প্রতিহতের ঘোষণা সাংবাদিকের ওপর জামায়াতের হামলার প্রতিবাদে নড়াইলে মানববন্ধন জেলা প্রশাসন প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা নুরমহল আশরাফী মহোদয় নদী পুনরুদ্ধারে সরকার মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে: শিবালয়ে ত্রাণমন্ত্রী সাংবাদিকের ওপর জামায়াতের হামলার প্রতিবাদে নড়াইলে মানববন্ধন লক্ষ্মীপুরে ২মাস ধরে নিখোঁজ কলেজছাত্রী, ফিরে পেতে পরিবারের আকুতি

ফের পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন, এ নিয়ে কতবার?

নিউজ ডেস্ক : আরও একবার পিছিয়ে গেল আলোচিত সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ। আদালত পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন আগামী ১১ আগস্ট। এ নিয়ে ১১৯ বার পেছাল মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদনের দাখিলের সময়।

মঙ্গলবার (৮ জুলাই) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআইর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। সে কারণে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মিনহাজুর রহমানের আদালত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন আগামী ১১ আগস্ট ধার্য করেন।

আলোচিত এ হত্যা মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আসামি আটজন। অন্য আসামিরা হলেন– বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুণ, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ। আসামিদের প্রত্যেককে একাধিকবার রিমান্ডে নেওয়া হলেও তাদের কেউই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি নিজেদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক এসআই। চারদিন পর চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার তদন্তভার ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তবে দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার যায় র‌্যাবের কাছে।

এদিকে, গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর এ মামলার তদন্তে বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। তাদেরকে ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে বলা হয়।

একইসঙ্গে মামলার তদন্ত থেকে র‌্যাবকে সরিয়ে দেওয়ারও আদেশ দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

পরে ১৭ অক্টোবর হাইকোর্টের নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে টাস্কফোর্স গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করা হয়েছে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: